1. admin@dainikshatakantha.com : dainikshatakantha :
মঙ্গলবার, ১৮ মে ২০২১, ১০:৫৬ অপরাহ্ন

ঝালকাঠিতে ই-পাসপোর্ট সেবা চালু, সার্ভারে ধীর গতি

  • প্রকাশিত : সোমবার, ১৬ নভেম্বর, ২০২০
  • ২৪৪ বার পড়া হয়েছে
আঞ্চলিক পাসপোর্ট অফিস, ঝালকাঠি।
আঞ্চলিক পাসপোর্ট অফিস, ঝালকাঠি।

স্টাফ রিপোর্টার
ঝালকাঠি আঞ্চলিক পাসপোর্ট অফিসে ই-পাসপোর্ট সেবা চালু হয়েছে। গত ১১ নভেম্বর থেকে এ কার্যক্রম চালু হয়। এরফলে মেশিন রিডেবল (এমআর) পাসপোর্ট পেতে জনসাধারনের ভোগান্তি লাঘব হয়ে সঠিক সময়ে হাতে পাবে বলে আশাবাদী পাসপোর্ট প্রত্যাশীরা এবং সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ।
তবে বিদেশে লোক যাতায়াত শিথিল থাকায় তেমন চাপ নেই পাসপোর্ট অফিসে। প্রতিদিন মাত্র হাতেগোনা কয়েকজন ব্যক্তি আসতো নতুন এমআর পাসপোর্টের আবেদন করতে। অফিসিয়াল নিয়মানুযায়ী নির্ধারিত সময় থাকলেও প্রক্রিয়াগত কারণে যথাসময়ে পাসপোর্ট পেতে বিলম্ব হওয়ায় ভোগান্তির শিকার হতো জনসাধারন। ই-পাসপোর্ট সেবা চালু হবার পরে ৬/৭জনে নতুন করে অনলাইনে নির্ভুল আবেদন করেছে যা ঝালকাঠি আঞ্চলিক পাসপোর্ট কার্যালয়ে ই-পাসপোর্ট অনলাইন নথিভুক্ত হয়েছে। আরো অনেকে করেছে যাতে ভুল হবার কারণে এখনও অনলাইন নথিভুক্ত হয়নি। ই-পাসপোর্ট সেবা চালু হওয়ায় শতভাগ সেবা পাবেন জনসাধারন এমনটাই দাবি করলেন সহকারি পরিচালক ফাতেমা বেগম।
জানাগেছে, ঝালকাঠিতে ২০১৩ সাল থেকে মেশিন রিডেবল (এমআর) পাসপোর্ট সেবা কার্যক্রম শুরু হয়েছে। এ জেলায় পাসপোর্ট সেবা চালু হওয়ায় বিদেশ গমনে আশার আলো দেখতে পায় প্রত্যন্ত অঞ্চলের মানুষ। তবে তাদের বিপত্তি বাধে সঠিক নিয়মে ফরম পুরণ করতে না পারলে। একদিনের স্থানে ৩/৪দিনও লাগতো অনেকের। পাসপোর্ট ফরমে সঠিকভাবে তথ্য দিয়ে সত্যায়িত করে ব্যাংকে টাকা জমা দেয়ার ভাউচারসহ জমা দিলে একদিনেই কার্যক্রম শেষ হতো। ফরমে ভুল হলে আবার সঠিকভাবে ফরম পুরন করে প্রয়োজনীয় সকল কাগজপত্রের সত্যায়িত করে ২সেট অফিসে জমা দিতে হতো। এরপর ছবি তোলার কাজ শেষ হলে একটি ¯িøপ নিয়ে চলে যেতো পাসপোর্ট প্রত্যাশীরা। পুলিশ ভেরিফিকেশন প্রাপ্তি সাপেক্ষে জরুরি পাসপোর্ট পেতে ৭ কার্যদিবস ও সাধারন পাসপোর্ট পেতে ১৫ কার্যদিবসের নিয়ম রয়েছে। পুলিশ ভেরিফিকেশনের প্রতিবেদন ও ঢাকায় প্রিন্ট হওয়া নতুন পাসপোর্ট পেতে সময় ক্ষেপন হয়। এতে বিদেশে চিকিৎসা ও গমনেচ্ছুক ব্যক্তিরা সঠিক সময়ে হাতে পেতে বিলম্ব হওয়ায় ভোগান্তিতে পড়তে হয়েছে অনেককেই।
ঝালকাঠি আঞ্চলিক পাসপোর্ট অফিস সূত্র জানায়, এখন অনলাইনের মাধ্যমে টাকা জমা দিয়ে আবেদন করে নিশ্চয়নপত্র অফিসে জমা দিলে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির সাক্ষাৎকার গ্রহণ করে সত্যতা যাচাই শেষে তা অনলাইনে নথিভুক্ত করা হচ্ছে। এ পদ্ধতিতেই পুলিশ ভেরিফিকেশনের জন্য পাঠানো হয়। আবেদনে দেয়া তথ্যের সত্যতা যাচাই ও অন্যান্য বিষয়ে প্রতিবেদন অনলাইনে আসলে এবং কোন আপত্তি না থাকলে তা ঢাকায় প্রিন্টের জন্য পাঠানো হয়।
সার্ভারে ধীরগতির কারণে প্রিন্টের জন্য সেই পাসপোর্ট ঢাকায় পাঠাতে বিলম্ব হচ্ছে। সার্ভারের লাইন নতুন হওয়ায় সাময়িক এ সমস্যা দেখা দিচ্ছে বলে অনলাইন বিশেষজ্ঞদের অভিমত। যেহেতু জার্মানি প্রযুক্তির মাধ্যমে এ সার্ভারের সৃষ্টি। কিছুদিন এ সার্ভারের ব্যবহার হলে ইন্টারনেটের গতি আরো বেগবান হবে এবং দ্রæত কাজ সম্পাদনে সহায়ক হবে বলেও জানান বিজ্ঞরা।
ঝালকাঠি আঞ্চলিক পাসপোর্ট অফিসের সহকারি পরিচালক ফাতেমা বেগম জানান, বর্তমানে পাসপোর্ট আবেদন করতে কোন ভোগান্তি পোহাতে হচ্ছে না। অনলাইনে নতুন আবেদন পেলে পুলিশ ভেরিফিকেশনের জন্য পাঠানো হয়। পুলিশ প্রতিবেদন পেলে ঢাকায় প্রেরণ করা হয় এবং পাসপোর্ট পেলে দ্রæত পৌঁছে দেয়া হবে। ই-পাসপোর্ট সেবা চালু হওয়ায় জনসাধারনকে দ্রæত সেবা প্রদানেরও প্রত্যয় ব্যক্ত করেন তিনি।

সংবাদটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আরো সংবাদ পড়ুন
সর্বস্বত্ত্ব © দৈনিক শতকন্ঠ - ২০২১ কর্তৃক সংরক্ষিত।
Theme Customized By BreakingNews