ঝালকাঠিতে একটি সড়কের উন্নয়ন না হওয়ায় হাজারো মানুষের দুর্ভোগ

0
93
ঝালকাঠি সদর উপজেলার বাদলকাঠি বটতলা থেকে ডোমজুড়ি-সম্বলকাঠি-সড়ক।
ঝালকাঠি সদর উপজেলার বাদলকাঠি বটতলা থেকে ডোমজুড়ি-সম্বলকাঠি-সড়ক।

স্টাফ রিপোর্টার
ঝালকাঠি সদর উপজেলার বাদলকাঠি বটতলা থেকে ডোমজুড়ি-সম্বলকাঠি-সড়কটি এলাকাবাসীর গলার কাঁটায় পরিণত হয়েছে। রাজেশ্বর বাবুর সামনে দিয়ে আসা-যাওয়ার একমাত্র কাঁচা সড়ক। এটি পাকা করার দাবি ৪০ বছরের। বৃষ্টি হলে এ রাস্তায় চলাচলকারী মানুষকে অবর্ণনীয় দুর্ভোগের শিকার হতে হয়।
স্থানীয়রা জানান, বর্ষাকালে এ রাস্তায় কর্দমাক্ততার কারণে হাঁটা দায়। তবুও কর্দমাক্ত পিচ্ছিল এ রাস্তা দিয়েই প্রতিদিন স্কুল-কলেজের শিক্ষার্থীরা ঝুঁকি নিয়েই যাতায়াত করছে। কর্দমাক্ত রাস্তা পাড়ি দিয়েই হাট-বাজারে যেতে হয় এলাকাবাসীকে। জনপ্রতিনিধিরা প্রতিশ্রুতি দিলেও তা বাস্তবায়িত হয়নি। এলাকাবাসী ক্ষোভ প্রকাশ করে জানান, বর্ষা মৌসুমে গুরুত্বপূর্ণ এই সড়ক দিয়ে চলাচল প্রায় বন্ধ হয়ে পড়ে। হাঁটুসমান কাদামাটি পেরিয়েই এ রাস্তা দিয়ে যেতে হয় তাদের। তবুও এই কাঁচা সড়কটি পাকাকরণের কোনো উদ্যোগ নিচ্ছে না কর্তৃপক্ষ।
এই সড়কের এক প্রান্তে রয়েছে বাউকাঠি। যেখানে সপ্তাহে দুই দিন হাঁট বসে। এ ছাড়াও রয়েছে মা ও শিশুস্বাস্থ্য ক্লিনিক, মাধ্যমিক বিদ্যালয়। অন্য প্রান্ত ঝালকাঠিতে রয়েছে স্কুল, কলেজ, মাদ্রাসা, ব্যাংক ও পোস্ট অফিস। কাঁচা রাস্তা দিয়ে দুর্ভোগ সঙ্গে নিয়ে যাতায়াত করতে হয় এ অঞ্চলের মানুষকে।
বাদলকাঠি গ্রামের বাসিন্দা নজরুল ইসলাম বলেন, বৃষ্টি হলে কাঁচা রাস্তায় কাঁদাপানি জমে থাকে। তখন রিকশা ও সিএনজি চালিত অটোরিকশা চলতে পারে না। এমনকি হেঁটে চলাচলও কঠিন হয়ে পড়ে।
বাসন্ডা ইউনিয়ন পরিষদের (ইউপি) চেয়ারম্যান মোবারক হোসেন মল্লিক বলেন, এ গ্রামের বাসিন্দারা পাকা সড়কের অভাবে দুর্ভোগে আছেন। আমি এ সড়ক পাকা করার ব্যবস্থা করব।
ঝালকাঠি সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) রোজী আকতার বলেন, এ বছর অবশ্যই সড়কটি পাকা করার উদ্যোগ নেয়া হবে।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here