ঝালকাঠিতে ছেলে হত্যার বিচার দাবি বাবা মায়ের

0
63
ঝালকাঠি: সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন নিহত সোহাগের বাবা মোস্তফা মোল্লা।
ঝালকাঠি: সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন নিহত সোহাগের বাবা মোস্তফা মোল্লা।

স্টাফ রিপোর্টার
ঝালকাঠির নলছিটিতে সোলায়মান হোসেন সোহাগ (২৭) নামে এক যুবককে শ্বাসরোধে হত্যা করা হয়েছে বলে অভিযোগ করেছেন নিহতের স্বজনরা। ছেলে হত্যার বিচার চেয়ে সংবাদ সম্মেলন করেছেন নিহতের বৃদ্ধ বাবা মা। গত বৃহস্পতিবার দুপুরে ঝালকাঠি প্রেস ক্লাবে অনুষ্ঠিত সংবাদ সম্মেলনে তারা এ অভিযোগ করেন। সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন নলছিটি উপজেলার তেঁতুল বাড়িয়া গ্রামের নিহত সোহাগের বাবা মো. মোস্তফা মোল্লা।
সংবাদ সম্মেলনে তিনি দাবি করেন, জমি সংক্রান্ত বিরোধের জের ধরে ঘুমান্ত অবস্থায় পরিকল্পিতভাবে গত ১৬ জুলাই রাতে তাঁর বড় ছেলে মো. সোলায়মান হোসেন সোহাগকে শ্বাসরোধে হত্যা করে একই এলাকার ফিরোজ মোল্লা, জাকির হোসেন মোল্লা, আদম আলী হাওলাদার, সজল মোল্লা, মো. আব্দুর রহমান, মো. আলকাছ মোল্লা, আবদুল খালেক মোল্লা ও মো. মিজান। পরে মৃতদেহ ঝুঁলিয়ে রেখে আত্মহত্যা বলে প্রচার চালায় হত্যার সঙ্গে জড়িতরা। পুলিশ এসে মৃতদেহ উদ্ধার করে। ঝালকাঠি সদর হাসপাতালের মর্গে লাশের ময়না তদন্ত করা হয়। মো. সোলায়মান হোসেন সোহাগকে শ্বাসরোধ হত্যা করা হয়েছে বলে ময়না তদন্তের রিপোর্টে উল্লেখ করা হয়। তবে প্রতিপক্ষরা কৌশলে নিহত সোলায়মান হোসেন সোহাগের বৃদ্ধ বাবার কাছ থেকে স্বাক্ষর নিয়ে থানায় অপমৃত্যু মামলা করায়। পরে বিষয়টি বুজতে পেরে মোস্তফা মল্লিক বাদী হয়ে ছেলে হত্যার অভিযোগ এনে স্থানীয় ৯ জনসহ আরো আজ্ঞাত দুই-তিন জনের বিরুদ্ধে ঝালকাঠির আদালতে হত্যা মামলা দায়ের করেন। আদালত থানার কাছে অপমৃত্যু মামলার প্রতিবেদন চাইলেও পুলিশ তা দিচ্ছে না। পুলিশের পক্ষ থেকে মামলার বাদিকে কোন সহযোগিতা করা হচ্ছে না বলেও অভিযোগ করেন নিহতের বাবা।
অপরদিকে মামলায় তুলে নেওয়ার জন্য আসামিরা চাপ প্রয়োগ করছে বলে সংবাদ সম্মেলনে অভিযোগ করা হয়। ছেলে হত্যার সঙ্গে যারা জরিত তাদের সর্বোচ্চ শাস্তি দাবি করেছেন বাবা মো. মোস্তফা মোল্লা। এব্যাপারে প্রশাসনের সহযোগিতা চেয়েছেন তিনি। সংবাদ সম্মেলনে নিহত মো. সোলায়মান হোসেন সোহাগের ছেলে আব্দুল্লাহ, মা শেফালী বেগম, ছোট ভাই শাকিল মোল্লা উপস্থিত ছিলেন।
এ ব্যাপারে নলছিটি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা আবদুল হালিম বলেন, প্রতিবেদন তৈরির প্রক্রিয়া চলছে, যেকোন সময় আদালতে পাঠানো হবে।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here