1. admin@dainikshatakantha.com : dainikshatakantha :
সোমবার, ১০ মে ২০২১, ০২:৩৪ পূর্বাহ্ন
সর্বশেষ আপডেট:
চীনা রকেটের ধ্বংসাবশেষ ভারত মহাসাগরে পড়েছে টানা নবম খেতাব জার্মান লিগ চ্যাম্পিয়ন বায়ার্ন মিউনিখ দেড়শতাধিক বছর পূর্বে প্রতিষ্ঠিত, রাজাপুরের কারামাতিয়া মসজিদে জুমায় মুসল্লিদের সংকুলান হয় না শেখেরহাটের গুরুত্বপূর্ণ সড়কের বেহালদশা রাজাপুরে আদালতের নির্দেশে ১৮ মাস পর হত্যার মামলা রেকর্ড কাঁঠালিয়ায় মাহিন্দ্রার ধাক্কায় কিশোরের মৃত্যু কাঁঠালিয়া ও রাজাপুরে দুই হাজার পরিবারকে খাদ্যসামগ্রী দিলেন কেন্দ্রীয় আ. লীগ নেতা মনির ঝালকাঠিতে সুবিধা বঞ্চিত রোজাদারদের মাঝে দুরন্ত ফাউন্ডেশন’র ভিন্নধর্মী ইফতার ঝালকাঠিতে ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযান সমালোচনার মুখে সিদ্ধান্ত পরিবর্তন, ভারত থেকে নাগরিকদের ফেরাতে নিষেধাজ্ঞা তুলে নিচ্ছে অস্ট্রেলিয়া
শিরোনাম:
চীনা রকেটের ধ্বংসাবশেষ ভারত মহাসাগরে পড়েছে টানা নবম খেতাব জার্মান লিগ চ্যাম্পিয়ন বায়ার্ন মিউনিখ দেড়শতাধিক বছর পূর্বে প্রতিষ্ঠিত, রাজাপুরের কারামাতিয়া মসজিদে জুমায় মুসল্লিদের সংকুলান হয় না শেখেরহাটের গুরুত্বপূর্ণ সড়কের বেহালদশা রাজাপুরে আদালতের নির্দেশে ১৮ মাস পর হত্যার মামলা রেকর্ড কাঁঠালিয়ায় মাহিন্দ্রার ধাক্কায় কিশোরের মৃত্যু কাঁঠালিয়া ও রাজাপুরে দুই হাজার পরিবারকে খাদ্যসামগ্রী দিলেন কেন্দ্রীয় আ. লীগ নেতা মনির ঝালকাঠিতে সুবিধা বঞ্চিত রোজাদারদের মাঝে দুরন্ত ফাউন্ডেশন’র ভিন্নধর্মী ইফতার ঝালকাঠিতে ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযান সমালোচনার মুখে সিদ্ধান্ত পরিবর্তন, ভারত থেকে নাগরিকদের ফেরাতে নিষেধাজ্ঞা তুলে নিচ্ছে অস্ট্রেলিয়া

ঝালকাঠিতে সুস্বাদু পায়েস তৈরীর উপাদান হোগল গুড়ির সাথে অপরিচিত নতুন প্রজন্ম

  • প্রকাশিত : মঙ্গলবার, ২৮ জুলাই, ২০২০
  • ৪০১ বার পড়া হয়েছে
হোগল গুড়ি।

স্টাফ রিপোর্টার
ঝালকাঠিসহ বানারিপাড়া ও স্বরূপকাঠির ৫৫ গ্রাম জুড়ে কাদি পদ্ধতিতে রয়েছে পেয়ারার বাগান। বর্ষা মৌসুমে পেয়ারা ফলন হয় বিধায় বিভিন্ন এলাকা থেকে দেশী-বিদেশী পর্যটকরা খাল বেষ্টিত পেয়ারা রাজ্য ভ্রমণ করেন নৌ-পথে। সড়ক পথে যোগাযোগ ব্যবস্থা থাকলেও পেয়ারা রাজ্য ঘুরে দেখতে জলযানের বিকল্প নেই। নৌকা অথবা ট্রলারে ভ্রমণ করলে পেয়ারা অঞ্চল ঘুরে দেখা সম্ভব হয়।
ঝালকাঠির পেয়ারা রাজ্যে ট্রলারযোগে ভ্রমণ করছে কয়েকজন যুবক ও কিশোর। ভীমরুলী ভাসমান পেয়ারার হাট দেখতে ট্রলারটি সেখানে ঘাট দেয়। ট্রলার থেকে সবাই নেমে পড়ে এলাকাটি (স্থলভাগ)একটু ঘুরে দেখার জন্য। এসময় কলেজ পড়ুয়া এক কিশোরের চোখ আটকে যায় দুটি ডালায় সাজানো হলুদের গুড়ার মতো দেখতে। কৌতুহল হয়ে বিক্রেতার কাছে জিজ্ঞাসা করে এগুলো কি? উত্তরে বিক্রেতা জানালো, এগুলো হোগলের গুড়ি। পায়েস রান্না করলে এগুলো তার মধ্যে দিলে সুস্বাদু হয়। ইতিমধ্যে কমলা রানী নামে এক বৃদ্ধ মহিলা এসে বললেন, হোগলের গুড়ি পায়েসের মধ্যে দিলে খুব মজা হয়। মিদু মিদু (মৃদু) আগুনের জ্বালে হোগলের গুড়ি প্রথমে ভেজে নিতে হয়, খেয়াল রাখতে হয় যাতে আগুনের তাপে পুড়ে না যায়। এরপর নারিকেল বেটে (শিল পাটাতে পিষে), গুড় ও চাল দিয়ে পাতিলে রেখে আগুনে জ্বাল (তাপ) দেয়ার পরে যখন গরম হয়ে ফুটতে শুরু করে তখন হোগলের গুড়ি ভাজা দিতে হয়। যখন পায়েস রান্না স্বাভাবিকভাবে শেষ হয় তখন পাতিলটি তুলে কিছুক্ষণ রেখে খেতে খুব মজা হয়। এমনকরে রান্না ও মজার গল্প শুনে ২৫০ গ্রাম হোগলের গুড়ি কিনে নিলো ৭৫ টাকায়। কলেজ পড়ুয়া কিশোর মাইনুল ইসলাম আনন্দের সাথে জানায়, মাকে গিয়ে বলবো এভাবে পায়েস তৈরী করে খাওয়াতে।
কৃষক শহিদুল ইসলাম জানান, তার বাড়ি সদর উপজেলার বিনয়কাঠি গ্রামে। ওই গ্রামেরই অনেক জায়গায় হোগল বন রয়েছে। সেই হোগল বনের ফুল ফুটার আগে পরিপক্ক অবস্থায় তুলে রোদে শুকিয়ে নিতে হয়। এরপর সেগুলো পলিথিনের উপরে রেখে ছাড়িয়ে নিতে হয়। চালনে করে চেলে তা থেকে হলুদের গুড়ার মতো হোগলের গুড়ি বের হয়। ৮০ টি হোগল ফুল থেকে ১কেজি গুড়া হয়। প্রতিকেজি বাজারে নিয়ে ৩শ টাকায় বিক্রি করি।
গ্রামাঞ্চলে প্রাকৃতিকভাবে সৃষ্টি হয় হোগল বন। এ থেকে সংগৃহীত পাতা ও হোগলা বিক্রি করে আর্থিকভাবে লাভবান হচ্ছেন কৃষক।
কৃষক জানান, হোগলা ফুল থেকে তৈরি পাউডারের পুষ্টিগুণ প্রচুর ও সুস্বাদু হওয়ায় রয়েছে চাহিদাও। আষাঢ় ও শ্রাবণ মাসে হোগলা পাতার ফুল থেকে গুড়া সংগ্রহ করে বাজারে বিক্রি করেন। বাজারে প্রতি কেজি হোগলের গুড়া ৩শ’ টাকায় বিক্রি করেন কৃষক।
হোগলা পাতা ও এ থেকে সংগৃহীত গুড়ার জনপ্রিয়তা রয়েছে এখনও প্রবীণদের কাছে। নদী/খালের তীরে প্রাকৃতিকভাবে উৎপাদিত হচ্ছে হোগলা বন। তা থেকে হোগল পাতার বুনানোর হোগলা ও হোগল ফুলের গুড়ি বাজারে বিক্রি করে লাভবান হচ্ছেন দরিদ্র কৃষক।
রাজাপুর উপজেলা উদ্ভিদ সংরক্ষণ কর্মকর্তা মেহেদী হাসান জানান, সরকারি পর্যায়ে উদ্যোগ নেয়া হলে সারাদেশে হোগলা পাতা ও এর গুড়া বাজারজাত করা সম্ভব।
তিনি বলেন, হোগলা পাতার ফুল থেকে যে পাউডারগুলো হয় সেটিই হোগলের গুড়ি। এটি চকচকে হলুদ রঙের হয়। এ গুড়োটি খুব পুষ্টিকর এবং সুস্বাদু খাবার। হোগলের গুড়া দিয়ে পায়েস ও কেক তৈরী করলে তা অত্যান্ত সুস্বাদু এবং পুষ্টিকর হয়।

সংবাদটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আরো সংবাদ পড়ুন
সর্বস্বত্ত্ব © দৈনিক শতকন্ঠ - ২০২১ কর্তৃক সংরক্ষিত।
Theme Customized By BreakingNews