1. admin@dainikshatakantha.com : dainikshatakantha :
বৃহস্পতিবার, ২৯ জুলাই ২০২১, ০৯:৫৩ পূর্বাহ্ন

ঝালকাঠির কুরবানির পশুরহাটে ছাগলের চাহিদা গোরুর দ্বিগুণ

  • প্রকাশিত : রবিবার, ২৬ জুলাই, ২০২০
  • ২৬৭ বার পড়া হয়েছে
ঝালকাঠিঃ রাজাপুর উপজেলার বাগড়ি হাটে ছাগলের বেচা-কেনা।

স্টাফ রিপোর্টার
আর কয়েকদিন পরেই অনুষ্ঠিত হবে মুসলিমৈ ধর্মাবলম্বীদের অন্যতম ধর্মীয় উৎসব পবিত্র ইদুল আজহা। করোনার কারণে আর্থিক সংকটে ইদুল আজহায় পশু কোরবানিতে খাসি বা ছাগলের চাহিদা দিন দিন বাড়ছে। কোরবানি উপলক্ষে পশু কেনাকাটায় সবার আকর্ষণ এখনও গোরুর প্রতিই বেশি থাকে। হাটগুলোতেও গোরুর সরবরাহ বেশি দেখা গেলেও ছাগলের বিক্রি হয় বেশি। গোরুর চেয়ে প্রায় দ্বিগুণ কোরবানি দেয়া হয় খাসি বা ছাগল। ফলে কোরবানির ঈদকে ঘিরে খাসি বেচাকেনাও বেশি হচ্ছে। আর চাহিদার অনুপাতে জোগানেরও সমস্যা নেই। অন্যদিকে ছাগল-খাসির ক্ষেত্রে গোরুর মতো মোটাতাজা করা হয় না। দামেও অনেক কম। তাই ক্রেতাদের মাঝে এক ধরনের আস্থার জায়গা তৈরি হয়েছে।
জেলার রাজাপুর উপজেলার বাগড়ি হাটের ইজারাদার মোঃ ফজলুর রহমান সিকদার জানান, সকালে বসে ছাগলের হাট আর বিকেলে বসে গরুর হাট। ইদুল আজহার আরো কয়েকদিন বাকি আছে। এখন প্রতি রবি ও সোমবারের হাটে সকালের দিকে ছাগলের ক্রেতা থাকে বেশি। দাম বেশি চড়া না, স্বাভাবিক মূল্যের। করোনার কারণে ক্রেতারা এখন ছাগল কোরবানির দিতে বেশি আগ্রহ করছে।
জেলা প্রাণি সম্পদ অধিদপ্তর সূত্রে জানাগেছে, ঝালকাঠি জেলায় পারিবারিকভাবে সারা বছর গোরুর সঠিক পরিচর্যা করে মটোতাজা করণে চলতি বছরের ৩১ মে পর্যন্ত ৬ হাজার ৯শত ৯২টি পশু রয়েছে। যার মধ্যে ষাঢ় ৩হাজার ৮শ ৪৩টি, বলদ ৪১৬টি, গাভী ১০১৫টি এবং ছাগল ১হাজার ৭শত ১৭টি। শুধুমাত্র কুরবানি উপলক্ষ্যে খামারীরা ১হাজার ৭শ ৫১টি পশু বাণিজ্যিকভাবে মোটাতাজাকরণ করছেন। এরমধ্যে ষাঢ় ৮শত ৯০টি, বলদ ২শত ৮৬টি, গাভী ১শত ৩১টি এবং ছাগল ৪শত ৪৪টি। এছাড়াও পারিবারিকভাবে অনেক পরিবার ছাগল পালন করে থাকেন। যা মোটাতাজা করণের আওতায় নেই।
জেলা প্রাণি সম্পদ কর্মকর্তা কৃষিবিদ মোহাম্মদ ছাহেব আলী বলেন, কোরবানিতে যেমন ৫০ হাজার টাকা দামের গোরু বিক্রি হয়, আবার দেড়-দুই লাখ টাকা দামেও বিক্রি হয়। তবে গড় হিসাবে বর্তমানে কোরবানিতে ৮০ থেকে ৯০ হাজার টাকাতেই বেশি গোরু বেচাকেনা হয়। আর ছাগলের ক্ষেত্রে তা হয় ১০-১৫ হাজার টাকায়। এজন্য ছাগলের প্রতি চাহিদা একটু বেশিই থাকে।
তিনি আরও জানান, গরুর চেয়ে ছাগল অনেক নিরাপদ। গরুতে যে বিষাক্ত প্রক্রিয়ায় মোটাতাজাকরণের ভয় বা আশঙ্কা থাকে, দেশে ছাগলের ক্ষেত্রে এখনও তেমন কিছু হচ্ছে না। আবার কোরবানির সময় রক্ষণাবেক্ষণেও গোরুর চেয়ে ছাগলের ক্ষেত্রে ঝামেলা কম।

সংবাদটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আরো সংবাদ পড়ুন
সর্বস্বত্ত্ব © দৈনিক শতকন্ঠ - ২০২১ কর্তৃক সংরক্ষিত।
Theme Customized By BreakingNews