1. admin@dainikshatakantha.com : dainikshatakantha :
বুধবার, ২১ জুলাই ২০২১, ১০:১১ অপরাহ্ন

ঝালকাঠির বড় বাজারে কসাইদের বর্জ্যে ড্রেন আটকে দুর্গন্ধ

  • প্রকাশিত : রবিবার, ৩ জানুয়ারী, ২০২১
  • ১৬৫ বার পড়া হয়েছে
ঝালকাঠি বড় বাজারের কসাই খানার চিত্র।
ঝালকাঠি বড় বাজারের কসাই খানার চিত্র।

স্টাফ রিপোর্টার
ঝালকাঠি বড় বাজারের গোশত ব্যবসায়ীদের (কসাই) ব্যবসায়ীক এলাকায় সঠিক পরিচ্ছন্নতা না থাকায় ড্রেন আটকে মারাত্মক দুর্গন্ধ সৃষ্টি হচ্ছে। পশু জবাইয়ের পরে চামড়া খসানোসহ গোশত বিক্রির প্রক্রিয়াকরণের সময় উচ্ছিষ্টাংশ পরিস্কারে পৌরসভার নির্দেশনা সঠিকভাবে ব্যবহার না করায় ময়লা-আবর্জনায় আটকে রয়েছে। তা পঁচে ড্রেন থেকে মারাত্মক অসহ্য দুর্গন্ধে পরিবেশ বিনষ্ট হচ্ছে। দীর্ঘদিন ধরে এমন অবস্থার কারণে ওই স্থানের অন্যান্য ব্যবসায়ী ও বাজারে আগন্তুকদের চরম দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে।
জানাগেছে, ঝালকাঠি পৌরসভা এলাকার সবচেয়ে বেশি গোশত বিক্রি হয় বড় বাজারে। প্রতিদিন ক্রেতাদের চাহিদা মেটাতে এক ডজনেরও বেশি গরু-ছাগল পৌরসভার নির্ধারিত জায়গায় জবাই দিয়ে ভ্যানে করে নেয়া হয় বড় বাজারের মাংস বিক্রির স্থানে। সেখানে জবাইকৃত পশুর চামড়া খসানো, ভুড়ি আলাদা করাসহ গোশত বিক্রির উপযোগী করতে যাবতীয় প্রক্রিয়াকরণ করা হয়। এসময় রক্ত, মল, উচ্ছিষ্টাংশসহ সবধরনের বর্জ্য নির্দিষ্ট স্থানে না নিয়ে ফেলা হচ্ছে ড্রেনে। যার ফলে ড্রেন আটকে মারাত্মক দুর্গন্ধ সৃষ্টি হয়েছে। এ দুর্গন্ধের ফলে বড় বাজারে, হাজী জয়নাল মার্কেটে এবং পার্শ¦বর্তি হোটেলে খাবারের প্রয়োজনে আগন্তুকদের দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে। অনেকে আবার দুর্গন্ধের কারণে ওই এলাকায় না গিয়ে অন্যদিকের অস্থায়ী বাজার থেকেও গোশতসহ নিত্য প্রযোজনীয় পণ্য কিনছেন।
সরেজমিনে দেখা গেছে, ড্রেনের মধ্যে পশু জবাইয়ের রক্ত, হাড় ও উচ্ছিষ্টাংশ। উপরে জমাট বাধা রক্ত। যা থেকে অসহ্য দুর্গন্ধ আসছে। কসাই খানার ব্যবসায়ীরা এমন পরিবেশে থাকতে থাকতে অভ্যস্ত হলেও জনসাধারণ নাভিশ্বাস ফেলছে।
জয়নাল মার্কেটের উত্তর মাথার একটি দোকানে শীত পোশাক ক্রেতা আশিক শান্ত জানান, যে গন্ধ তাতে পেট ফুলে উঠছে। পোশাক না কিনে অন্য দোকানে যাচ্ছি। হোটেলে দুপুরের খাবার খেতে আসা রুহুল আমীন জানান, গোশত পট্টির পাশের দোকানের নিয়মিত কাস্টমার আমি। প্রতিদিন খাবার খেতে গেলেই দুর্গন্ধে রুচি নষ্ট হয়ে খাবারের পরিমাণ কমে যাচ্ছে। এখন বাধ্য হয়ে অন্যত্র খাবারের চিন্তা করছি। কারণ একদিকে খেতে পারছি না, অন্যদিকে গন্ধের কারণে পেটেও সমস্যা হচ্ছে। সবমিলিয়ে স্বাস্থ্য ঝুঁকিও রয়েছে।
ক্রেতা ইউসুফ আলী জানান, বাজারে গোশত কিনতে গেছিলাম। মুখে মাস্ক ছিলো। কিন্তু যে দুর্গন্ধ তাতে মাস্কও কাজ করে না, মাস্ক ভেদ করে দুর্গন্ধ পেটে ঢুকে গেছে। এ বাজার থেকে আর গোশত কেনা যাবে না বলেও অনিহা প্রকাশ করেন তিনি।
বড় বাজার ব্যবসায়ী কমিটির সভাপতি মো. লাল মিয়া খলিফা জানান, কসাই খানা (গোশত ব্যবসায়ী) এলাকা থেকে দুর্গন্ধ আসছে। আমরা গোশত কিনতে গেলে তা টের পাচ্ছি। কিন্তু তাদের কিছু বলি নাই, কারণ আমাদের কাছে কেউ কোন অভিযোগ করে নাই এবং আপত্তিও জানায়নি।

সংবাদটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আরো সংবাদ পড়ুন
সর্বস্বত্ত্ব © দৈনিক শতকন্ঠ - ২০২১ কর্তৃক সংরক্ষিত।
Theme Customized By BreakingNews