1. admin@dainikshatakantha.com : dainikshatakantha :
সোমবার, ১৭ মে ২০২১, ০৩:৩২ পূর্বাহ্ন

টার্গেট ইউপি সদস্য, জখম খালাতো ভাই

  • প্রকাশিত : বুধবার, ২৮ অক্টোবর, ২০২০
  • ১৭৫ বার পড়া হয়েছে
রাজাপুর (ঝালকাঠি) দৃর্বৃত্তের হামলায় আহত মো. নুরনবী
রাজাপুর (ঝালকাঠি) দৃর্বৃত্তের হামলায় আহত মো. নুরনবী

স্টাফ রিপোর্টার
ঝালকাঠির রাজাপুর উপজেলার বড়ইয়া ইউপি সদস্য (উত্তমপুর) তরিকুল ইসলাম মামুনের সাথে স্থানীয় দাদাভাই খ্যাত একটি প্রভাবশালী চক্রের সাথে দীর্ঘদিনের রাজনৈতিক মতবিরোধ। স্পষ্টভাষী মামুন সরকার দলীয় নেতৃত্ব স্থানে থাকলেও অন্যান্য রাজনৈতিক সহযোদ্ধাদের অনৈতিক কাজে বাঁধা হয়ে দাড়াতো সবখানে। সেই বাঁধা সরিয়ে দিতে বহিরাগত পেশাদার খুনিদের নিয়ে মামুনকে হত্যা করার পরিকল্পনা করে। নিজস্ব গন্ডির মধ্যে থেকেও বিষয়টি অনেকে জানলেও তামাশা ভেবে উড়িয়ে দেয়। সোমবার দিবাগত রাতে বাড়ির পাশে লোকজনের আনাগোনা টের পায় মামুন। সেই সাথে গাঁজা ও সিগারেট সেবনের গন্ধও অনুভব করে। তখনই কিছু একটা আঁচ করতে পেরে কাউকে কিছু না জানিয়ে নিজ শয়ন কক্ষের দরজা শক্ত করে আটকিয়ে বসে থাকেন। মঙ্গলবার ফজরের নামাজ পড়ার জন্য ইউপি সদস্য মামুনের বাড়িতে থেকেই পড়াশুনা করা বড়ইয়া কলেজ ছাত্র নুরনবী পিছনের দরজা দিয়ে অজু করার জন্য নামে। ওৎপেতে থাকা পেশাদার খুনিরা হাল্কা অন্ধকারে মামুন ভেবে নুরনবীকে এলোপাথারী কোপ শুরু করে। মাটিতে লুটিয়ে পড়লে “মামুন না, অন্য কেউ” বলে চিনতে পেরে ঘটনাস্থল ত্যাগ করে। বড়ইয়া ইউপি সদস্য ও প্যানেল চেয়ারম্যান মামুন, নুরনবী এবং এলাকাবাসীর সাথে কথা বলে এসব তথ্য জানাগেছে। মঙ্গলবার ভোরে উপজেলার উত্তমপুর এলাকায় বড়ইয়া ইউনিয়ন পরিষদের প্যানেল চেয়ারম্যান ইউপি সদস্য তরিকুল ইসলাম মামুনের নিজ বাড়িতে এ ঘটনা ঘটে। নুরনবী বড়ইয়া এলাকার মো. ফারুক হাওলাদারের ছেলে ও ইউপি সদস্য তরিকুল ইসলাম মামুনের খালাতো ভাই।
ইউপি সদস্য তরিকুল ইসলাম মামুন জানায়, নুরনবী তাদের বাড়িতে থেকেই লেখাপড়া করে। ঘটনার দিন গভীর রাতে বাড়ির মধ্যে লোকজনের আনাগোনা টেরপায় মামুন। ফজরের নামাজ পড়তে পিছনের দড়জা খুলে বাহিরে বের হয় মামুনের খালাতো ভাই নুরনবী। এ সময় আগে থেকে ওৎপেতে থাকা দুর্বৃত্তরা মামুনকে মনে করে হত্যার উদ্দেশ্য নুর নবীর মাথায় রামদা দিয়ে কোপ দেয়। নুরনবী চিৎকার দিয়ে মাটিতে লুটিয়ে পড়লে দুর্বৃত্তরা নুরনবীকে দেখে ঘটনাস্থল থেকে দ্রুত পালিয়ে যায়। দুর্বৃত্তরা দলে ১০/১২ জন ছিল বলেও নুরনবী নিশ্চিত করেন। পরিবারের লোকজন নুরনবীকে উদ্ধার করে রাজাপুর স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে ভর্তি করেন। স্থানীয় প্রতিপক্ষরা এই হামলার ঘটনা ঘটিয়েছে বলেও তিনি দাবী করেন। রাজাপুর ওসি শহিদুল ইসলাম জানান, পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে। বিষয়টিতে গুরুত্ব দিয়ে খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

সংবাদটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আরো সংবাদ পড়ুন
সর্বস্বত্ত্ব © দৈনিক শতকন্ঠ - ২০২১ কর্তৃক সংরক্ষিত।
Theme Customized By BreakingNews