1. admin@dainikshatakantha.com : dainikshatakantha :
বুধবার, ২১ জুলাই ২০২১, ১০:১৩ অপরাহ্ন

ঝালকাঠি ফায়ারসার্ভিসের ডিএডি কার্যালয় চত্বরে জলাবদ্ধতা

  • প্রকাশিত : বৃহস্পতিবার, ১১ জুন, ২০২০
  • ৩২১ বার পড়া হয়েছে
ঝালকাঠি ফায়ারসার্ভিস চত্তরে জলাবদ্ধতা।

মোঃ আতিকুর রহমান
কোথাও আগুন লাগলেই পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ করতে ফায়ারসার্ভিসের দমকল বাহিনীকে সংবাদ দেয়া হয়। সংবাদ পেয়ে মুহূর্তের মধ্যে দমকল বাহিনীর সদস্যরা ঘটনাস্থলে গিয়ে আগুন নিয়ন্ত্রণ করেন। পানিতে কোন নৌযান ডুবির ঘটনা ঘটলে জান বাঁচাতে সেখানেও ফায়ারসার্ভিসের ডুবুরী খবর দেয়া হয়। জীবনের ঝুঁকি নিয়ে নদীতে ঝাপিয়ে পড়ে উদ্ধার অভিযান পরিচালনা করেন তাঁরা। আগুন থেকে পানি দিয়ে জান-মালের নিরাপত্তা আবার পানিতে নিমজ্জিত হয়ে জান-মালের ক্ষতি থেকে রক্ষা করতেই ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স কর্মী বাহিনীর কাজ। একাজের নির্দেশনা ও প্রশিক্ষণ অনুশীলনের কাজটি যিনি তদারকি এবং পরিচালনা করেন স্থান ভেদে দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তা। ঝালকাঠি ফায়ারসার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স স্টেশনে দায়িত্বে রয়েছেন উপ-সহকারী পরিচালক মোঃ সেলিম মিয়া। ফায়ারসার্ভিসের গাড়ি রাখার গ্যারেজের পিছনে এ কর্মকর্তার কার্যালয়।
ঝালকাঠি ফায়ারসার্ভিস স্টেশনের পূর্বে শহরের উত্তর-দক্ষিণমূখী নতুন কলেজ রোড, দক্ষিণে পূর্ব-পশ্চিম মুখী পোস্ট অফিস রোড, পশ্চিম ও উত্তরে আবাসিক এলাকা। দুদিকের রাস্তা এবং আবাসিক এলাকার পানি নামানোর জন্য কোন পয়োনিষ্কাশন ব্যবস্থা নেই। বর্ষা মৌসূম হলেই জলাবদ্ধতা সৃষ্টি হয় আবাসিক এলাকায়। কার্যালয় চত্বরের চতুর্দিক উঁচু হওয়ায় বৃষ্টি হলেই পানি জমে থাকে চত্বরে। দাপ্তরিক কাজে বিঘœসৃষ্টিসহ স্থানীয় হাস্যরহস্যের খোরাকি হয়ে দাড়িয়েছে ফায়ার স্টেশনের খোদ কর্মকর্তার কার্যালয় চত্বরে জলাবদ্ধতায়।
স্থানীয়রা জানান, কোথাও আগুন লাগলেই ফায়ারসার্ভিসের কর্মীরা গিয়ে পানি দিয়ে আগুণ নিয়ন্ত্রণ করেন। নদীতে কোন নৌযান ডুবে গেলে ফায়ারসার্ভিসের ডুবুরীরা গিয়ে উদ্ধার কাজ করেন। কিন্তু ঝালকাঠি ফায়ারসার্ভিস কর্মকর্তার কার্যালয়ের সামনে সামান্য বৃষ্টি হলেই জলাবদ্ধতা সৃষ্টি হয়।
নামপ্রকাশ না করার শর্তে ফায়ারসার্ভিস কর্মীরা জানান, এখন বর্ষা মৌসুম। একটু বৃষ্টি হলেই স্যারের অফিসের সামনে পানি জমে থাকে। দেখলে মনে হয় পুকুরের মধ্যে অফিস। আমরা পানি সেচ দিয়ে স্থানটি পরিস্কার রাখি।
ঝালকাঠি ফায়ারসার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স উপসহকারী পরিচালক মোঃ সেলিম মিয়া জানান, অফিসের সামনে বৃষ্টি হলেই জলাবদ্ধতা সৃষ্টি হয়। চতুর্দিক উচু থাকার কারণে পানি স্বাভাবিকভাবে নামতে পারছে না। বৃষ্টি শেষ হলে ফায়ারসার্ভিস কর্মীদের নিয়ে পরিস্কার করতে হয়। বিষয়টি পৌর কর্তৃপক্ষকে লিখিতভাবে জানানো হয়েছে।
পৌরমেয়র আলহাজ্ব লিয়াকত আলী তালুকদার জানান, ফায়ারস্টেশনের উত্তর ও পশ্চিম পাশের ছোট খালটি ভরাট হয়ে যাওয়ায় কোনদিক থেকে পানি নামতে না পারায় জলাবদ্ধতার সৃষ্টি হয়। আগামী শুকনো মৌসূমে খাল কেটে পয়োনিষ্কাশনের ব্যবস্থা করা হবে।

সংবাদটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আরো সংবাদ পড়ুন
সর্বস্বত্ত্ব © দৈনিক শতকন্ঠ - ২০২১ কর্তৃক সংরক্ষিত।
Theme Customized By BreakingNews