1. admin@dainikshatakantha.com : dainikshatakantha :
শনিবার, ০৮ মে ২০২১, ০৫:২০ অপরাহ্ন
সর্বশেষ আপডেট:
সমালোচনার মুখে সিদ্ধান্ত পরিবর্তন, ভারত থেকে নাগরিকদের ফেরাতে নিষেধাজ্ঞা তুলে নিচ্ছে অস্ট্রেলিয়া এসএসসি পরীক্ষার ফরম পূরণের নতুন তারিখ দিয়েছে ঢাকা শিক্ষা বোর্ড মাস্ক ব্যবহার নিশ্চিত করতে জেলা প্রশাসনের অভিযান, ঝালকাঠির ঈদ মার্কেটে ছুটির দিনে মানুষের ঢল, স্বাস্থ্য বিধির কোন তোয়াক্কা নেই বাংলাদেশের সমুদ্রসীমায় মৎস্য আহরণ নিষিদ্ধ করেছে সরকার, ঝালকাঠিতে প্রস্তুতিমুলক সভা ঝালকাঠিতে অভ্যন্তরিণ চারটি রুটে গণপরিবহণ চলাচল শুরু ঝালকাঠি সিটি ক্লাবের পক্ষ থেকে খাদ্যসামগ্রী বিতরণ মোবাইল অ্যাপসের মাধ্যমে কৃষকের বোরো ধান সংগ্রহ অতিরিক্ত পুলিশ সুপার হাবিবুল্লাহ’র পদোন্নতিতে প্যান এর বরিশাল কো-অর্ডিনেটর এর অভিনন্দন রাজাপুরে ১২ সহাস্রাধিক দুঃস্থদের প্রধানমন্ত্রীর ঈদ উপহার ঝালকাঠিতে স্বাস্থ্যবিধি না মানায় ১৪ জনকে জরিমানা
শিরোনাম:
সমালোচনার মুখে সিদ্ধান্ত পরিবর্তন, ভারত থেকে নাগরিকদের ফেরাতে নিষেধাজ্ঞা তুলে নিচ্ছে অস্ট্রেলিয়া এসএসসি পরীক্ষার ফরম পূরণের নতুন তারিখ দিয়েছে ঢাকা শিক্ষা বোর্ড মাস্ক ব্যবহার নিশ্চিত করতে জেলা প্রশাসনের অভিযান, ঝালকাঠির ঈদ মার্কেটে ছুটির দিনে মানুষের ঢল, স্বাস্থ্য বিধির কোন তোয়াক্কা নেই বাংলাদেশের সমুদ্রসীমায় মৎস্য আহরণ নিষিদ্ধ করেছে সরকার, ঝালকাঠিতে প্রস্তুতিমুলক সভা ঝালকাঠিতে অভ্যন্তরিণ চারটি রুটে গণপরিবহণ চলাচল শুরু ঝালকাঠি সিটি ক্লাবের পক্ষ থেকে খাদ্যসামগ্রী বিতরণ মোবাইল অ্যাপসের মাধ্যমে কৃষকের বোরো ধান সংগ্রহ অতিরিক্ত পুলিশ সুপার হাবিবুল্লাহ’র পদোন্নতিতে প্যান এর বরিশাল কো-অর্ডিনেটর এর অভিনন্দন রাজাপুরে ১২ সহাস্রাধিক দুঃস্থদের প্রধানমন্ত্রীর ঈদ উপহার ঝালকাঠিতে স্বাস্থ্যবিধি না মানায় ১৪ জনকে জরিমানা

করোনা ভাইরাসের প্রভাবে ঝালকাঠিতে থাই পেয়ারার চাহিদা বাড়ছে

  • প্রকাশিত : শুক্রবার, ৮ মে, ২০২০
  • ৩৭৫ বার পড়া হয়েছে
থাই পেয়ারার চাহিদা বাড়ছে

মোঃ আতিকুর রহমান
করোনা সংকটে ঝালকাঠির থাই পেয়ার চাহিদা দিন দিন বেড়েই চলছে। মাল্টা ও কমলার সরবরাহ কম থাকায় ভিটামিন সি যুক্ত খাবার খেতে সবাই থাই পেয়ারার দিকে ঝুঁকছে। স্থানীয় বাজারে সরবরাহ করতেই হিমশিম খেতে হচ্ছে পেয়ারা চাষিদের। কিন্তু পাওয়া যাচ্ছে না শ্রমিক। সেই সাথে রয়েছে পরিবহন সংকটও। ঝালকাঠিতে গত পাঁচ বছর ধরে বাণিজ্যিকভাবে থাই পেয়ারা চাষ করে লাভবান হয়েছেন বেশ কয়েকজন উদ্যোক্তা। এরমধ্যে সদর উপজেলার শেখেরহাট ইউনিয়নের শিরযুগ গ্রামের রূপসী বাংলা থাই পেয়ারা অন্যতম। পেয়ারায় প্রচুর পরিমানে ভিটামিন সি থাকায় এখন করোনা সংকটে ঝালকাঠির পেয়ারা চাহিদা ব্যাপকভাবে বেড়েছে। বিদেশী মাল্টা ও কমলার সরবরাহ কম থাকায় স্থানীয় পেয়ারার উপর ঝুঁকে পড়েছেন অনেকেই। কিন্তু দ্রুত পঁচনশীল এই ফল এখন গাছেই পঁচে যাচ্ছে। পাওয়া যাচ্ছেনা ফল তোলার জন্য শ্রমিক। তাই উদ্যোক্তারা নিজেরাই গুটি কয়েক লোকজন নিয়ে দিনভর এখন ফল তোলায় ব্যস্ত সময় পাড় করছেন। এদিকে গাছ থেকে তোলা ফল বাজারজাত করতেও দেখা দিয়েছে সংকট। রূপসী বাংলা থাই পেয়ারা চাষের উদ্যোক্তা সহকারী অধ্যাপক কামাল হোসেন বলেন, করোনার কারণে পাওয়া যাচ্ছেনা শ্রমিক ও পরিবহন। ফলে বিপুল সংখ্যক পেয়ারা এখন বাগানেই নষ্ট হয়ে যাচ্ছে। ঝালকাঠির উৎপাদিত পেয়ারা পাইকারী ৫০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে। আর খুচরা বাজারে তা ৭০ থেকে ৮০ টাকা দরে বেচাকেনা হচ্ছে।
জানাগেছে, খেতে সুস্বাদু, পুষ্টিগুণে ভরপুর থাই পেয়ারা। এ কারণে দেশে দিন দিন এর চাহিদা বাড়ছে। একইসঙ্গে দীর্ঘমেয়াদি ফসল ও লাভজনক হওয়ায় এই ফলটির আবাদ সম্প্রসারিত হচ্ছে দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে। এর ধারাবাহিকতায় থাই জাতের এই পেয়ারার বাণিজ্যিক ভিত্তিতে চাষ করে সফল হয়েছে ঝালকাঠিতেও। থাই পেয়ারা চাষ করে ভাগ্য বদলের স্বপ্ন দেখছেন ঝালকাঠির ৪ যুবক। অধিক লাভজনক হওয়ায় এ জাতের পেয়ারা চাষে আগ্রহী হচ্ছেন স্থানীয় অন্য যুবকরাও।
আবহাওয়া অনুকূলে থাকায় এবার ঝালকাঠিতে বাণিজ্যিকভাবে পেয়ারা চাষ করেছেন এখানকার ৪ উদ্যোক্তা। ঝালকাঠি সমন্বিত কৃষি উন্নয়ন প্রকল্পের আওতায় বাণ্যিজিক ভিত্তিতে এ থাই জাতের পেয়ারা বাগান করেছেন লস্কর আশিকুর রহমান দিপু, সহকারী অধ্যাপক মো. কামাল হোসেন, গোলাম মুর্তুজা ও অ্যাডভোকেট সোহেল আকন।
২০১৫ সালের সেপ্টেম্বর মাসে ঝলকাঠি সদর উপজেলার শেখেরহাট ইউনিয়নের গাবখান নদীর তীরবর্তী শিরযুগ বিআইডব্লিটি এর ১৫ একর জমি লিজ নেন তারা। একই সঙ্গে বিনইকাঠি ইউনিয়নের মানপাশা এলাকায় নিজেদের ৪ একর জমি নিয়ে উচ্চ শিক্ষিত এ চার যুবকের প্রকল্প শুরু হয়। বাণিজ্যিকভাবে উৎপাদন পর্যন্ত উদ্যোক্তাদের ৬০ লাখ টাকা ব্যয় হয়েছে বলে জানিয়েছেন তারা। জেলার চাহিদা মিটিয়ে আশেপাশের অন্য জেলাগুলোতে ঝালকাঠির থাই পেয়ারা বাজারজাত করা হচ্ছে।
এ প্রকল্পের উদ্যোক্তা লস্কর আশিকুর রহমান দিপু জানান, তাদের ১৯ একর জমিতে এ পর্যন্ত জমি প্রস্তুত করা, চারা ক্রয়, রোপণ, পরিচর্যা পানি সরবরাহ নিয়ে পুরো মাত্রায় প্রাথমিক ফলন পর্যন্ত ৬০ লাখ টাকা খরচ হয়েছে বলে জানান তিনি। তিনি জানান, প্রতিদিন প্রকল্পে ১০ থেকে ১৫ জন শ্রমিক কাজ করছেন। এখানে তাদের মধ্যে ১০ জন শ্রমিকের স্থায়ী কর্মসংস্থানের সুযোগ হয়েছে।
এ প্রকল্পের আরেক উদ্যোক্তা অ্যাডভোকেট সোহেল আকন জানান, পেয়ারা চারা লাগানোর ২-৩ মাসের মধ্যে ফল আসা শুরু হয়। তবে গাছের স্বাস্থ্য রক্ষা এবং গাছ মজবুত রাখতে প্রথম বারের ফল ভেঙে ফেলে দেয়া হয়। পেয়ারা একটু বড় হওয়ার পর পলিথিন দিয়ে বেঁধে না দিলে পোকার আক্রমণে নষ্ট হয়ে যায়। এ আক্রমণ প্রতিরোধ করেই পেয়ারা চাষে সফলতা আসছে।
সহকারী অধ্যাপক কামাল হোসেন বলেন, করোনার কারণে পাওয়া যাচ্ছেনা শ্রমিক ও পরিবহন। ফলে বিপুল সংখ্যক পেয়ারা এখন বাগানেই নষ্ট হয়ে যাচ্ছে।
জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক কৃষিবিদ ফজলুল হক মিয়া জনান, ঝালকাঠিতে ছোট বড় বিভিন্ন ফলের বাগান করা হচ্ছে। শিক্ষিত যুব সমাজ আগ্রহী হয়ে থাই পেয়ারার চাষ করেছেন। কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর তাদের প্রয়োজনীয় পরামর্শ প্রদান করেছেন। থাই পেয়ারা চাষে উচ্চশিক্ষিত ৪ যুবক সফল হয়ে অনুকরণীয় দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছেন।

সংবাদটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আরো সংবাদ পড়ুন
সর্বস্বত্ত্ব © দৈনিক শতকন্ঠ - ২০২১ কর্তৃক সংরক্ষিত।
Theme Customized By BreakingNews