1. admin@dainikshatakantha.com : dainikshatakantha :
শনিবার, ০৮ মে ২০২১, ০৪:১০ অপরাহ্ন
সর্বশেষ আপডেট:
সমালোচনার মুখে সিদ্ধান্ত পরিবর্তন, ভারত থেকে নাগরিকদের ফেরাতে নিষেধাজ্ঞা তুলে নিচ্ছে অস্ট্রেলিয়া এসএসসি পরীক্ষার ফরম পূরণের নতুন তারিখ দিয়েছে ঢাকা শিক্ষা বোর্ড মাস্ক ব্যবহার নিশ্চিত করতে জেলা প্রশাসনের অভিযান, ঝালকাঠির ঈদ মার্কেটে ছুটির দিনে মানুষের ঢল, স্বাস্থ্য বিধির কোন তোয়াক্কা নেই বাংলাদেশের সমুদ্রসীমায় মৎস্য আহরণ নিষিদ্ধ করেছে সরকার, ঝালকাঠিতে প্রস্তুতিমুলক সভা ঝালকাঠিতে অভ্যন্তরিণ চারটি রুটে গণপরিবহণ চলাচল শুরু ঝালকাঠি সিটি ক্লাবের পক্ষ থেকে খাদ্যসামগ্রী বিতরণ মোবাইল অ্যাপসের মাধ্যমে কৃষকের বোরো ধান সংগ্রহ অতিরিক্ত পুলিশ সুপার হাবিবুল্লাহ’র পদোন্নতিতে প্যান এর বরিশাল কো-অর্ডিনেটর এর অভিনন্দন রাজাপুরে ১২ সহাস্রাধিক দুঃস্থদের প্রধানমন্ত্রীর ঈদ উপহার ঝালকাঠিতে স্বাস্থ্যবিধি না মানায় ১৪ জনকে জরিমানা
শিরোনাম:
সমালোচনার মুখে সিদ্ধান্ত পরিবর্তন, ভারত থেকে নাগরিকদের ফেরাতে নিষেধাজ্ঞা তুলে নিচ্ছে অস্ট্রেলিয়া এসএসসি পরীক্ষার ফরম পূরণের নতুন তারিখ দিয়েছে ঢাকা শিক্ষা বোর্ড মাস্ক ব্যবহার নিশ্চিত করতে জেলা প্রশাসনের অভিযান, ঝালকাঠির ঈদ মার্কেটে ছুটির দিনে মানুষের ঢল, স্বাস্থ্য বিধির কোন তোয়াক্কা নেই বাংলাদেশের সমুদ্রসীমায় মৎস্য আহরণ নিষিদ্ধ করেছে সরকার, ঝালকাঠিতে প্রস্তুতিমুলক সভা ঝালকাঠিতে অভ্যন্তরিণ চারটি রুটে গণপরিবহণ চলাচল শুরু ঝালকাঠি সিটি ক্লাবের পক্ষ থেকে খাদ্যসামগ্রী বিতরণ মোবাইল অ্যাপসের মাধ্যমে কৃষকের বোরো ধান সংগ্রহ অতিরিক্ত পুলিশ সুপার হাবিবুল্লাহ’র পদোন্নতিতে প্যান এর বরিশাল কো-অর্ডিনেটর এর অভিনন্দন রাজাপুরে ১২ সহাস্রাধিক দুঃস্থদের প্রধানমন্ত্রীর ঈদ উপহার ঝালকাঠিতে স্বাস্থ্যবিধি না মানায় ১৪ জনকে জরিমানা

ঝালকাঠিতে চলছে আলোচনা, ১৪ দলের নতুন মুখপাত্র হতে পারেন আমু

  • প্রকাশিত : শুক্রবার, ১৯ জুন, ২০২০
  • ৬৪৬ বার পড়া হয়েছে
আমির হোসেন আমু এমপি।

মোঃ আতিকুর রহমান
১৪ দলের নতুন মুখপাত্র কে হচ্ছেন তা নিয়ে আওয়ামী লীগে আলোচনা শুরু হয়েছে। অনেক নেতাই আওয়ামী লীগের আদর্শিক এ জোটের দায়িত্বে আসতে চাচ্ছেন। এর আগে এ দায়িত্ব পালন করে আসছিলেন সদ্যপ্রয়াত আওয়ামী লীগ নেতা মোহাম্মদ নাসিম। গত শনিবার তিনি মারা যান।
জোটের বড় দল হিসেবে আওয়ামী লীগই এর সমন্বয় করে থাকে। ১৪ দলের সমন্বয়ক হিসেবে সৈয়দা সাজেদা চৌধুরী দায়িত্বে থাকলেও প্রধানমন্ত্রীর পরামর্শে সমন্বয় ও মুখপাত্র দুটি দায়িত্বই পালন করেছেন মোহাম্মদ নাসিম। জোট ও আওয়ামী লীগ নেতারা এখন তাকিয়ে রয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সিদ্ধান্তের দিকে। গুরুত্বপূর্ণ এ দায়িত্ব কার হাতে দেবেন প্রধানমন্ত্রী।

১৪ দল

আওয়ামী লীগ নেতারা বলছেন, অসাম্প্রদায়িক ও মুক্তিযুদ্ধের চেতনা বাস্তবায়নে দেশের রাজনীতিতে ১৪ দলের একটি বড় ভুমিকা রয়েছে। সবার কাছে গ্রহণযোগ্য, জোটের ঐক্য অটুট রাখতে পারবেন এমন কারও হাতে আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনা জোটের মুখপাত্রের দায়িত্ব দেবেন। তিনিই ১৪ দলের মুখপাত্র হবেন। এখন করোনার দুঃসময়ে রাজনৈতিক কর্মকান্ড নেই। তাই এ বিষয়ে তাড়াহুড়োরও কিছু নেই। সব বিষয়ে জোটনেত্রী শেখ হাসিনার সিদ্ধান্তই চুড়ান্ত।
ঝালকাঠি জেলা আওয়ামীলীগ ও সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীসহ জেলাবাসীর দাবি দক্ষিণাঞ্চলের সিংহ পুরুষ, বঙ্গবন্ধুর রাজনৈতিক সহচর, সাবেক মন্ত্রী আমির হোসেন আমু এমপিই ১৪ দলের মুখপাত্রের যোগ্য। তাঁকে এ দায়িত্ব দেয়া হলে আওয়ামীলীগসহ জোটকে আরো সুসংগঠিত করে পরিচালনা করতে তিনি সক্ষম হবেন।
আমির হোসেন আমু স্বৈরাচারবিরোধী আন্দোলনে ১৫ দল ও পরবর্তী সময়ে ৮ দলীয় জোটের সমন্বয় করেছেন। স্বাধীন বাংলাদেশের অভ্যুদয়ের বিভিন্ন আন্দোলন-সংগ্রামে আমির হোসেন আমুর বলিষ্ঠ ভ‚মিকা রয়েছে। ১৪-দলীয় জোটের সঙ্গেও তাঁর রয়েছে সুসম্পর্ক। জোটের বিভিন্ন কর্মসূচিতে তিনি অংশ নিয়েছেন নিয়মিত। ১৪ দলের শরিকদের দুর্বলতাও রয়েছে আমির হোসেন আমুর প্রতি। এছাড়াও ছাত্রজীবন থেকেই তিনি বঙ্গবন্ধুর ঘনিষ্ঠ সহচর ছিলেন। ছাত্রলীগের কেন্দ্রীয় সভাপতি, যুবলীগের চেয়ারম্যান, আওয়ামীলীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য, খাদ্য ও শিল্পমন্ত্রীর দায়িত্ব পালন করেন। বর্তমানে তিনি শিল্পমন্ত্রণালয় বিষয়ক সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সভাপতির দায়িত্ব পালন করছেন। প্রবীণ রাজনৈতিক নেতাদের মধ্যে তিনি বিচক্ষণ এবং প্রজ্ঞাবান নেতা। এসব কারণে ১৪ দলের মুখপাত্র হিসেবে একমাত্র তাঁকে যোগ্য হিসেবে দেয়া হতে পারে বলে আশা প্রকাশ করেন নেতৃবৃন্দ।
ঝালকাঠি জেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি ও জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান সরদার মোঃ শাহআলম, সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট খান সাইফুল্লাহ পনির, পৌর আওয়ামী লীগের সভাপতি ও পৌর মেয়র আলহাজ্ব লিয়াকত আলী তালুকদার, জেলা যুবলীগের আহবায়ক লিয়াকত আলী খান, যুগ্ম আহবায়ক রেজাউল করীম জাকির, ছাত্রলীগের সভাপতি শফিকুল ইসলাম ও সাধারণ সম্পাদক এসএম আলআমিনের সাথে আলাপ করলে তারা এ বিষয়ে আশাবাদ ব্যক্ত করে এসব তথ্য জানান।
দলের জনপ্রিয় নেতা মোহাম্মদ নাসিমের শোক কাটিয়ে জোটের মুখপাত্রের দায়িত্বে কে আসছেন এমন আলোচনা আওয়ামী লীগের অভ্যন্তরে ছড়িয়েছে। এর মধ্যে পাঁচজন নেতাকে ঘিরেই চলছে মূল আলোচনা। তারা হলেন আওয়ামী লীগের উপদেষ্টা পরিষদ সদস্য প্রবীণ রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব আমির হোসেন আমু, দলের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের, সভাপতিমন্ডলীর সদস্য ড. আব্দুর রাজ্জাক, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মাহবুব-উল আলম হানিফ ও আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় নেতা মোফাজ্জল হোসেন চৌধুরী মায়া বীরবিক্রম।
সাধারণত জোটের সঙ্গে মূল দলের সমন্বয় করে রাজনৈতিক কর্মসূচি গ্রহণ ও বাস্তবায়ন করতে হয়। জোটের সঙ্গে মূল দলের সমন্বয় করা প্রয়োজন। সেজন্য দলের সাধারণ সম্পাদক এ কাজটি করে থাকেন। আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদেরই জোটের সমন্বয়ক বা মুখপাত্র হওয়ার কথা। যদি তিনি দায়িত্বে না আসেন তখন অন্য কেউ এ দায়িত্ব পালন করবেন। আওয়ামী লীগের মতো বড় দলের সাধারণ সম্পাদকের অনেক সাংগঠনিক ব্যস্ততা থাকে। সেজন্য দলীয় সভাপতি অন্য কোনো সিনিয়র নেতাকে এ দায়িত্ব দিয়ে থাকেন।
বাম প্রগতিশীল জোট ১১ দল, আওয়ামী লীগ, জাসদ ও ন্যাপ মিলে ১৪ দল গঠিত হয়। বর্তমানে এ জোটের প্রধান দলগুলো হলো ওয়ার্কার্স পার্টি, জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দল (জাসদ), সাম্যবাদী দল, গণতন্ত্রী পার্টি, কমিউনিস্ট কেন্দ্র, গণআজাদী লীগ, গণতান্ত্রিক মজদুর পার্টি, বাসদ (একাংশ), জাতীয় পার্টি (জেপি) ও তরিকত ফেডারেশন।
তথ্যানুসন্ধানে জানাগেছে, জোট সরকারের আমলে ২০০৪ সালের নভেম্বর মাসে তৎকালীন বিরোধী দল আওয়ামী লীগের নেতৃত্বে ১৪ দলীয় জোটের যাত্রা শুরু হয়। শুরুতে এই জোটের সমন্বয়ক ছিলেন আব্দুল জলিল। এরপর আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় এলে ১৪ দলের সমন্বয়কের দায়িত্ব পান দলটির প্রবীণ নেত্রী সৈয়দা সাজেদা চৌধুরী। তিনি কয়েকটি বৈঠকও করেন।
বার্ধ্যকজনিত কারণে সাজেদা চৌধুরী প্রায়ই অসুস্থ থাকায় মুখপাত্র হিসেবে দায়িত্ব পান মোহাম্মদ নাসিম। সেই থেকে তাঁর নেতৃত্বেই পরিচালিত হয়ে আসছিল ১৪ দলের কার্যক্রম। আওয়ামী লীগের এই নেতা গত শনিবার চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান। প্রতিকুল পরিস্থিতি সত্ত্বেও নাসিমের মৃত্যুর পর ক্ষমতাসীন মহলে আলোচনা শুরু হয়েছে কে হচ্ছেন ১৪ দলের মুখপাত্র।
আন্দোলনের জোট হিসেবে ২৩ দফার ভিত্তিতে গঠিত হয় ১৪ দল। ২০০৯ সালে আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় এলে মন্ত্রিসভায় ঠাঁই হয় সাম্যবাদী দলের সাধারণ সম্পাদক দিলীপ বড়ুয়ার। পরবর্তী সময়ে ওয়ার্কার্স পার্টির সভাপতি রাশেদ খান মেনন ও জাসদ সভাপতি হাসানুল হক ইনু মন্ত্রিসভায় জায়গা পান। আন্দোলনের মিত্র থেকে ১৪ দলের শরিকরা সরকারের অংশীদার হয়ে পড়ে। পুরো সময়টাতে শক্ত হাতে জোটের নেতৃত্ব দিয়ে গেছেন মোহাম্মদ নাসিম।

সংবাদটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আরো সংবাদ পড়ুন
সর্বস্বত্ত্ব © দৈনিক শতকন্ঠ - ২০২১ কর্তৃক সংরক্ষিত।
Theme Customized By BreakingNews