ঝালকাঠিতে ধান ও চাল সংগ্রহ লক্ষ্যমাত্রা অর্জন ভেস্তে যাচ্ছে

0
154
ধান ও চাল সংগ্রহ লক্ষ্যমাত্রা

মানিক রায়
ঝালকাটি জেলায় অভ্যন্তরিন বোরো সংগ্রহ-২০২০ এর আওতায় ধান ও চাল সংগ্রহের লক্ষ্যমাত্র অর্জন ভেস্তে যাচ্ছে। জেলায় ৪টি উপজেলা থেকে ১৫শ মে.টন ধান ও ১৬২৭ মে.টন চাল সংগ্রহের লক্ষ্যমাত্রা দেয়া হয়েছে। জেলায় খাদ্য বিভাগ আগস্ট মাসের তৃতীয় সপ্তাহ পর্যন্ত ৩০২ মে.টন ধান ও ২৬৭ মে.টন চাল সংগ্রহ করতে সক্ষম হয়। বাজারে ধানের দাম চড়া থাকায় কৃষকরা হাট বাজারে ২৪-২৫টাকা কেজি দরে ব্যাপারিদের কাছে ধান বিক্রি করতে পারছে। পরিবহন খরচ ব্যয় করে এবং ধান শুকিয়ে ১৪% আদ্রতা রেখে ২৬ টাকা কেজি ধরে কৃষকরা খাদ্যগুদামে এসে ধান বিক্রি করতে আগ্রহী নয়। অনুরূপ চালের বাজার উর্ধ্বমূখী থাকায় বর্তামানে বাজারে সর্বনিম্ন মোটা চাল ৪০ টাকা এবং চিকন চাল ৫০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে। এ কারণেই চাল মিলের মালিকরা ৩৬ টাকা কেজি দরে সরকারের কাছে চাল বিক্রি করছে না। ঝালকাঠি জেলার খাদ্য বিভাগ ৬টি চাল মিলের সাথে চুক্তি করলেও নলছিটির সুগন্ধা অটো রাইস মিল চুক্তিবদ্ধ ১১৯১ মে.টন চালের মধ্যে ২৬৭ মে.টন চাল বিক্রি করছে সরকারের কাছে। ২৬৭ মে.টন সংগ্রহ করা চাল নিয়ে খাদ্য বিভাগকে বসে থাকতে হয়েছে। জেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক অফিস সূত্রে এই তথ্য পাওয়া গেছে।
ঝালকাঠি জেলার ৪টি উপজেলার মধ্যে ধান সংগ্রহের আওতায় সদর উপজেলায় ৭১১ মে.টন ধানের বিপরীতে ১১৭.৪৪০ মে.টন, নলছিটি উপজেলায় ৭৬৭ মে.টনের বিপরীতে ১৭০.৬০০ মে.টন, রাজাপুর উপজেলায় ১৫ মে.টনের বিপরীতে ১৪ মে.টন এবং কাঁঠালিয়া উপজেলায় ৭ মে.টনের বিপরীতে কোন ধান সংগ্রহ করা যায়নি। চালের ক্ষেত্রে ঝালকাঠি সদর উপজেলায় ৩৬২ মে.টন সংগ্রহর বিপরীতে কোন চাল সংগ্রহ হয়নি। অনুরূপভাবে রাজাপুর ৪৪ মে.টন লক্ষ্যমাত্রা ও কাঁঠালিয়া উপজেলায় ৩০ মে.টন চাল সংগ্রহর লক্ষ্যমাত্রা দেয়া হলেও এ দুটি উপজেলায় কোন চাল সংগ্রহ হয়নি। শুধু নলছিটি উপজেলায় ১১৯১ মে.টন চাল সংগ্রহর লক্ষ্যমাত্রার মধ্যে এই উপজেলাধীন সুগন্ধা অটো রাইস মিল থেকে ২৬৭ মে.টন চাল সংগ্রহ করা সম্ভব হয়েছে।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here