1. admin@dainikshatakantha.com : dainikshatakantha :
বৃহস্পতিবার, ২৯ জুলাই ২০২১, ১০:২০ পূর্বাহ্ন

করোনা ঝুঁকি এড়াতে নতুন নিয়মে ‘লকডাউন’র’ চিন্তা সরকারের

  • প্রকাশিত : বুধবার, ৩ জুন, ২০২০
  • ৪৭৮ বার পড়া হয়েছে

করোনা ঝুঁকি মোকাবেলায় নতুন কৌশল নিতে যাচ্ছে সরকার। এ ক্ষেত্রে নতুন নিয়মে লকডাউন করা হতে পারে। দেশের বড় বড় শহরগুলোতে আক্রান্তের হার বেশি হওয়ায় সরকারকে নতুন কৌশলে যেতে হচ্ছে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে ঢাকা, গাজীপুর, নারায়ণগঞ্জ ও চট্টগ্রামের ক্ষেত্রে এ নতুন কৌশল নিতে যাচ্ছে সরকার। এই নগরীর মেয়ররা চাচ্ছেন, এই চার সিটিতে যাতে অন্য জেলার মানুষ আসা-যাওয়া করতে না পারে তা সরকারকে নিশ্চিত করতে হবে। প্রতিটি সিটি এলাকায় আলাদাভাবে করোনা পরীক্ষার ব্যবস্থা করতে হবে। ২৪ ঘণ্টার মধ্যে করোনা পরীক্ষার ফল প্রকাশ এবং ফলাফল দেখে ঝুঁকির মাত্রা বিবেচনায় সিটিগুলোতে এলাকাভিত্তিক রেড, ইয়েলো, গ্রিন জোন করা হতে পারে।
মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ সূত্রে জানাগেছে, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নির্দেশে মন্ত্রিপরিষদসচিব জরুরি ভিত্তিতে এক বৈঠকের আয়োজন করেন। সোমবার (১ জুন) অনুষ্ঠিত বৈঠকে সভাপতিত্ব করেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল। বৈঠকে স্থানীয় সরকার মন্ত্রী তাজুল ইসলাম, স্বাস্থ্যমন্ত্রী জাহিদ মালেক, ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের মেয়র শেখ ফজলে নূর তাপস, ঢাকা উত্তরের মেয়র আতিকুল ইসলাম, গাজীপুর সিটি করপোরেশনের মেয়র জাহাঙ্গীর আলম ও নারায়ণগঞ্জ সিটি মেয়র সেলিনা হায়াত আইভী এতে অংশ নেন। এ ছাড়া মন্ত্রিপরিষদসচিব, প্রধানমন্ত্রীর মুখ্য সচিব, সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ের সচিবগণ, আইজিপি এবং সশস্ত্র বাহিনী বিভাগের পিএসও বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন। বৈঠকে দুই দিনের মধ্যে এ পরিকল্পনা চূড়ান্ত করার সিদ্ধান্ত হয়।
বৈঠকে উপস্থিত একাধিক সূত্রে জানা গেছে, ঈদের পর লকডাউন খুলে দেওয়ার পর যে পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে তাতে সরকার স্বস্তিতে নেই। সবচেয়ে বেশি করোনায় আক্রান্ত এলাকা ঢাকা, গাজীপুর ও নারায়ণগঞ্জ নিয়ে কী করা যায় তা নিয়ে বৈঠকে আলোচনা হয়।
বৈঠক সূত্র জানায়, স্বাস্থ্যমন্ত্রী বৈঠকে বলেছেন, বাংলাদেশ এখন সর্বোচ্চ ঝুঁকির দিকে যাচ্ছে। এই সময়ে করোনাভাইরাস সম্পর্কিত আন্তর্জাতিকভাবে যেসব নিয়ম-কানুন দেওয়া হয়েছে তা পালন করার বিকল্প নেই। সূত্র জানায়, ঈদের আগে গার্মেন্ট কারখানা খোলার সিদ্ধান্ত ঠিক ছিল না বলে ঢাকার বাইরের দুজন মেয়র মত প্রকাশ করেন। ঈদের পর ১০-১৫ দিন টানা সাধারন ছুটি বৃদ্ধি করলে দেশ উচ্চ ঝুঁকির দিকে যেত না বলেও ঐ মেয়ররা মত প্রকাশ করেন।
বৈঠকে রেড, ইয়েলো এবং গ্রিন জোনের রূপরেখা হিসেবে বলা হয়েছে, যারা করোনায় আক্রান্তের টেস্ট দিচ্ছে সেখানে ওই ব্যক্তির সব তথ্য থাকে। টেস্টে যারা পজিটিভ হবে তাদের তথ্য রোগী নিজে জানার পাশাপাশি সংশ্লিষ্ট এলাকার ওয়ার্ড কমিশনার বা চেয়ারম্যানদের জানিয়ে দেওয়া হবে। তখন ওয়ার্ডভিত্তিক রোগীর সংখ্যা হিসাব করে জোন ঠিক করা হবে। যেসব এলাকায় রোগী দ্রুত বৃদ্ধির চিত্র দেখা যাবে সেসব এলাকা রেড জোন হিসেবে চিহ্নিত হবে। ইতোমধ্যে এ লক্ষে কাজ চলছে। (সংবাদের সূত্র কালের কন্ঠ)

সংবাদটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আরো সংবাদ পড়ুন
সর্বস্বত্ত্ব © দৈনিক শতকন্ঠ - ২০২১ কর্তৃক সংরক্ষিত।
Theme Customized By BreakingNews