1. admin@dainikshatakantha.com : dainikshatakantha :
সোমবার, ১৭ মে ২০২১, ০৩:৩৯ পূর্বাহ্ন

নলছিটিতে যুবলীগ নেতাকে হয়রানির অভিযোগ

  • প্রকাশিত : সোমবার, ২৩ নভেম্বর, ২০২০
  • ১০০ বার পড়া হয়েছে
ঝালকাঠি প্রেস ক্লাবে সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন নলছিটি পৌরসভার খাজুরিয়া গ্রামের যুবলীগ নেতা রাসেল হাওলাদার
ঝালকাঠি প্রেস ক্লাবে সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন নলছিটি পৌরসভার খাজুরিয়া গ্রামের যুবলীগ নেতা রাসেল হাওলাদার

স্টাফ রিপোর্টার
ঝালকাঠির নলছিটিতে ওয়ার্ড যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক ও আগামী পৌরসভা নির্বাচনে কাউন্সিলর প্রার্থী মো. রাসেল হাওলাদার ও তাঁর পরিবারের সদস্যদের একাধিক মিথ্যা মামলা দিয়ে হয়রানীর অভিযোগ পাওয়া গেছে। সোমবার ঝালকাঠি প্রেস ক্লাবে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে এ অভিযোগ করেন যুবলীগ নেতা রাসেল হাওলাদার।
সংবাদ সম্মেলনে রাসেল হাওলাদারের ছোট ভাই শ্রমিক লীগ নেতা ইমরান হাওলাদার ও স্থানীয় যুবলীগ নেতা রাজা হাওলাদার উপস্থিত ছিলেন।
লিখিত বক্তব্যে মো. রাসেল হাওলাদার অভিযোগ করেন, গত পৌরসভা নির্বাচনে তিনি নলছিটি পৌরসভার ৬ নম্বর ওয়ার্ডে কাউন্সিলর প্রার্থী হিসেবে প্রতিদ্বন্দিতা করে অল্প ভোটে পারাজিত হন। এ বছরও তিনি একই ওয়ার্ডে কাউন্সিলর প্রার্থী এবং তিনি মনে করেন গত নির্বাচনের চেয়ে এ বছর তাঁর অবস্থা অনেক ভাল। তিনি প্রার্থী হওয়ার ঘোষণা দেওয়ায় বর্তমান কাউন্সিলর আব্দুস ছালাম হাওলাদার তাঁর ওপর ক্ষিপ্ত হয়ে নানা ষড়যন্ত্র শুরু করেন। সেই ষড়যন্ত্রের অংশ হিসেবে বর্তমান কাউন্সিলর ছালাম হাওলাদার এবং তার চাচাত ভাই র‌্যাব পুলিশের সোর্স পরিচয়দানকারী ইদ্রিস হাওলাদার মিলে রাসেল ও তার ছোট ভাই ইমরানের বিরুদ্ধে ভোলা জেলার লালমোহন, চরফ্যাশন এবং নলছিটি থানায় একাধিক ডাকাতি মামলাসহ, চাঁদাবাজি ও মারামারির মামলা দায়ের করিয়েছেন। ‘মিথ্যা ডাকাতি মামলায়’ ইমরান হাওলাদার গ্রেপ্তার হয়ে ৮/৯ মাস কারাভাগ করেছেন। বর্তমানে ছালাম হাওলাদার, তার সহযোগী ইদ্রিস হাওলাদার মিলে রাসেল ও তার ভাই ইমরানকে মিথ্যা নারী ও শিশু নির্যাতন আইনে মামলা, অবৈধ অস্ত্র অথবা মাদক রেখে মামলা দেওয়ার হুমকি দিচ্ছে। সংবাদ সম্মেলননে মো. রাসেল আরও জানান, কাউন্সিলর ছালাম হাওলাদার ও ইদ্রিস হাওলাদার আমাদের এবং সাধারণ মানুষদের ভয় দেখানোর জন্য সব সময় দেশীয় অস্ত্র দা, কুড়াল, হাতুড়ি, বাডইল সাথে নিয়ে চলা ফেরা করে। কাউন্সিলর ছালাম তার আপন বড় ভাই আবদুল খালেক হাওলাদারের (খালেক ডিলার) পৌরসভার সামনের বসতঘর ও জমি দখল করে। পরে সেখানে একটি দোকান নির্মাণ করে রড সিমেন্টের দোকান দিয়েছেন ছালাম। জমি দখল করা তার পেশায় পরিণত হয়েছে।

সংবাদটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আরো সংবাদ পড়ুন
সর্বস্বত্ত্ব © দৈনিক শতকন্ঠ - ২০২১ কর্তৃক সংরক্ষিত।
Theme Customized By BreakingNews