1. admin@dainikshatakantha.com : dainikshatakantha :
রবিবার, ২৫ জুলাই ২০২১, ০৮:৩৩ পূর্বাহ্ন

নির্লোভ মেয়র ও ঐক্যবদ্ধ পরিষদ থাকার কারণে ঝালকাঠি শহর উন্নয়নের রোল মডেল

  • প্রকাশিত : বুধবার, ৩০ ডিসেম্বর, ২০২০
  • ১৯৮ বার পড়া হয়েছে
কাউন্সিলর তরুন কুমার কর্মকার।
কাউন্সিলর তরুন কুমার কর্মকার।

মো. আতিকুর রহমান
ঝালকাঠি পৌর সভার নির্লোভ মেয়র ও কাউন্সিলরদের ঐক্যবদ্ধ প্রচেষ্টায় কোটি কোটি টাকার উন্নয়ন মূলক কর্মকান্ডে পৌর এলাকা উন্নয়নের রোল মডেলে পরিণত হয়েছে। বিগত মেয়রদের কার্যকালীন সময়ে কাউন্সিলরদের সাথে যথাযথ সমন্বয় না করায় কাঙ্খিত উন্নয়ন সম্ভব হয়নি। বর্ধিত পৌর এলাকাকে আধুনিক উপশহরে রূপান্তর করার পরিকল্পনা রয়েছে। ঝালকাঠি শহরের মূল প্রাণকেন্দ্র ৫নং রায়মঙ্গল ওয়ার্ড (কালীবাড়ি রোড এলাকা) কাউন্সিলর ও জেলা আওয়ামীলীগের যুগ্ম সম্পাদক তরুন কুমার কর্মকার’র শতকণ্ঠ’কে দেয়া সাক্ষাতকারে এ কথা বলেন।
সাক্ষাতকারে তিনি বলেন, বর্তমান প্রায় ৫বছর ঝালকাঠি পৌরসভার সৎ ও ধার্মিক মেয়র আলহাজ্ব লিয়াকত আলী তালুকদারের নেতৃত্বে পৌর পরিষদের সমস্ত কাউন্সিলররা ঐক্যবদ্ধ থেকে উন্নয়ন কাজকে তরান্বিত করছেন। তিনি প্রত্যেক কাউন্সিলরকে প্রাপ্য সম্মানটুকু প্রদান করেছেন। আমাদেও রাজনৈতিক অভিভাবক জননেতা আলহাজ্ব আমির হোসেন আমু এমপি মহোদয়ের নির্দেশক্রমে মেয়রের নেতৃত্বে উন্নয়নমূলক কর্মকান্ড পরিচালনা করতে পেরেছি। বিগতদিনে প্রত্যেক মেয়রের সময়ই কাউন্সিলরদের সাথে একটি অভ্যন্তরীণ দ্ব›েদ্ব তারা লিপ্ত থাকতো। সে সময়ে মেয়র এবং কাউন্সিলরদের সৌহার্দপূর্ণ কোন সম্পর্ক ছিলো না। বর্তমান মেয়র লিয়াকত আলী তালুকদারের সময়ে সৌহার্দপুর্ণ সম্পর্ক থাকায় উন্নয়ন পরিকল্পনা বাস্তবায়িত হয়েছে। ঝালকাঠি পৌরসভার ১৮৭৫সালে জন্মলগ্ন থেকে দ্বিতীয় কলকাতা নামে পরিচিত ছিলো। কিন্তু সেই পৌরসভায় যেভাবে উন্নয়নের কথা ছিলো বিগত দিনে তা হয়নি। আমির হোসেন আমু এমপি মহোদয়ের নেতৃত্বে যখন তিনি এমপি হয়েছিলেন তখন তৃতীয় শ্রেণি থেকে দ্বিতীয় শ্রেণির পৌরসভায় রূপান্তর করেন। তাঁর হাত ধরেই দ্বিতীয় শ্রেণি থেকে প্রথম শ্রেণির পৌরসভা হিসেবে ঝালকাঠিকে উন্নীত করেন। বর্তমান মেয়র মহোদয়ের নেতৃত্বে কাউন্সিলরদের সহযোগিতায় প্রত্যেকটি রাস্তা ও ড্রেন আরসিসি ঢালাই দিয়ে দীর্ঘ মেয়াদি ব্যাপক উন্নয়ন কর্মকান্ড পরিচালনা করতে সক্ষম হয়েছেন। যা সবার কাছেই দৃশ্যমান। ঝালকাঠি পৌরসভার নিজস্ব অর্থায়ন, জলবায়ু, ইউজিপ, এডিবি প্রল্পের মাধ্যমে উন্নয়ন কর্মকান্ড করতে পেরেছি। পৌর এলাকার মূল প্রাণ কেন্দ্র ৫নং ওয়ার্ডের যে উন্নয়ন হয়েছে বিগত ৫০ বছরেও এমন উন্নয়ন কেউ করতে পারেনি। আওয়ামী লীগের জ্যেষ্ঠ নেতা আমির হোসেন আমু এমপি মহোদয়ের পরামর্শে ও পৌর মেয়র লিয়কত আলী তালুকদারের নেতৃত্বে এসব উন্নয়ন কাজ সফল হয়েছে।
তরুন কর্মকার বলেন, ঝালকাঠি ফায়ারসার্ভিস স্টেশন সংলগ্ন মদনমোহন আখড়া বাড়ির পিছনের প্রায় অর্ধশত পরিবার ছিলো অবহেলায়। বর্ষা মৌসুম এলেই জলাবদ্ধতার কারণে মানবেতর জীবন যাপন করতে হতো। সেখানে ডিপ ড্রেন স্থাপনের মাধ্যমে পয়োনিষ্কাশনের ব্যবস্থা করা হয়েছে। যার কারণে এলাকাবাসীর দীর্ঘদিনের দুর্ভোগ লাঘব হচ্ছে।
এছাড়াও আমির হোসেন আমু এমপি মহোদয়ের নিজস্ব অনুদান এবং পৌর অর্থায়নে ধর্মীয় উপাসনালয়, শিক্ষা ও সামাজিক প্রতিষ্ঠানের উন্নয়নে সার্বিক সহযোগিতা প্রদান করা হয়েছে। অবহেলিত পৌর মহাশশ্মানকে আধুনিকায়ন করে পার্কে রূপ দেয়া হয়েছে।
তরুণ কর্মকার আরো জানান, আমাদের অভিভাবক আমির হোসেন আমু এমপি মহোদয়ের নেতৃত্বে বর্ধিত পৌরশহরকে উন্নয়নের জন্য উপকূলীয় প্রকল্পে দেড়শত কোটি টাকা বরাদ্দ রয়েছে। বর্ধিত পৌরসভাকে সুন্দর ও আধুনিক উপশহর হিসেবে গড়ে তোলার পরিকল্পনা রয়েছে।
এরপরেও প্রিয় নেতা আমির হোসেন আমু এমপি নিজ ডিওলেটারে প্রায় ১হাজার কোটি টাকার বরাদ্দের ব্যবস্থা করেছেন। পৌর এলাকার বর্ধিত জায়গাগুলোকে ঝালকাঠি শহরের মতো আমরা মেয়র মহোদয়ের স্বপ্ন আধুনিক শহর উপহার দিতে পারবো।
তরুন কর্মকার সাক্ষাতকাওে আরো বলেন, স্বাধীনতা পরবর্তি ঝালকাঠি পৌর শাসনামলে দীর্ঘস্থায়ী এমন পরিকল্পনা নিয়ে উন্নয়ন আর হয়নি। পাকা রাস্তা ও পাকা ড্রেন নির্মাণ করায় আগামী ৫০ বছরেও আর কোন হাত দিতে হবে না। দীর্ঘসময় পরে মেয়র ও কাউন্সিলরদের সৌহার্দ্যপুর্ণ পরিষদ ২০১৬ সালের ২০ মার্চ নির্বাচনের মাধ্যমে কার্যক্রম শুরু হয়। এই ৫বছরে পরিষদের সবাই ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করায় কাঙ্খিত উন্নয়ন দৃশ্যমান করে দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছেন।

সংবাদটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আরো সংবাদ পড়ুন
সর্বস্বত্ত্ব © দৈনিক শতকন্ঠ - ২০২১ কর্তৃক সংরক্ষিত।
Theme Customized By BreakingNews