1. admin@dainikshatakantha.com : dainikshatakantha :
শনিবার, ২৪ জুলাই ২০২১, ১০:৫৫ অপরাহ্ন

কুনিহারী আশ্রয়ন প্রকল্প নির্মাণের ৭ মাসেও সুবিধাভোগী নির্বাচন করা হয়নি, গো-ছাগলের বিচরণে নষ্ট হচ্ছে পরিবেশ

  • প্রকাশিত : রবিবার, ২০ সেপ্টেম্বর, ২০২০
  • ১৯৫ বার পড়া হয়েছে
পুনিহারি আশ্রায়ণ প্রকল্প
ঝালকাঠির বাসন্ডা ইউনিয়নের বসতি শূণ্য পুনিহারি আশ্রায়ণ প্রকল্প।

মানিক রায়
প্রধানমন্ত্রীর আশ্রায়ন প্রকল্পের মাধ্যমে ঝালকাঠি জেলার ৩টি উপজেলায় ১৫টি ব্যারাক নির্মাণ করা হয়েছে। এর মধ্যে ১৪টি ব্যারাকে ১১৭৬টি ভুমিহীন পরিবারকে মাথা গোজার ঠাঁই করে দেওয়া হয়েছে। জেলার সরকারী খাস জমিতে ১৯৯৬ সাল থেকে সেনাবাহিনী, নৌবাহিনীর মাধ্যমে এ ১৫টি ব্যারাক নির্মাণ করা হয়েছে। ১৪টি আশ্রায়ন প্রকল্পে ১১৭৬টি পরিবার আশ্রয় পেলেও ঝালকাঠি সদর উপজেলার অতি সম্প্রতি নির্মাণ করা বসন্ডা ইউনিয়নের কুনিহারী আশ্রায়ন প্রকল্প ৭ মাস ধরে সুবিধাভোগীদের নির্বাচন করে বসবাসের ব্যবস্থা করা হয়নি। জেলা ও উপজেলা প্রশাসন বিষয়টি প্রক্রিয়াধীন বলে দাবি করেছে। কুনিহারী আশ্রায়ন প্রকল্পে ৯টি ব্যারাক নির্মাণ করা হয়েছে। প্রতিটি ব্যারাকে ৫টি করে ৪৫টি পরিবারের জন্য ব্যারাক নির্মাণ করা হয়েছে। সুবিধাভোগী নির্বাচনে যত দেরি হচ্ছে ততই নির্মাণাধীন প্রকল্পটিতে গরু ছাগল বিচরণ করে অপরিচ্ছন্ন করে ফেলছে। এমনকি নলকূপের মাথা চুরি করে নিয়ে যাচ্ছে।
এদিকে ১৯৯৬ সাল থেকে শুরু করা আশ্রয়ন প্রকল্পের প্রথমদিকে নির্মাণ করা ব্যারাকগুলি সংস্কারের অভাবে বসবাসের অনুপযোগী হয়ে পড়ছে। ব্যারাকগুলিতে টিন নষ্ট হয়ে পানি পড়ছে, শৌচাগারসহ অবকাঠামো ব্যবহারের অনুপযোগী হয়ে গেছে।
ঝালকাঠির সন্তান ঢাকার বিশিষ্ট ব্যবসায়ী সৈয়দ মোয়াজ্জেম হোসেন ব্যক্তিগত অর্থ দিয়ে বাসন্ডা ইউনিয়নের কুনিহারী গ্রমে ৩ একর জায়গা ক্রয় করে আশ্রয়ন প্রকল্পের জন্য জেলা প্রশাসকের অনুকূলে জমি দান করেন। এই জায়গার ১.৮১০ একরে কুনিহারী আশ্রয়ন প্রকল্প বাস্তবায়নের উদ্যোগ নেয়া হয়। এখানে ১৪০ মে. টন গম বরাদ্দ করে মাটি ভরাটের কাজ করা হয়। ২০১৯-২০ অর্থ বছরে বরিশালের শেখ হাসিন ক্যান্টনমেন্টের ৭ পদাতিক ডিভিশনের ২২ ইঞ্জিনিয়ার ব্যাটেলিয়ন ৮৪ লাখ ১০ হাজার ৮শ ৬০ টাকা ব্যয়ে ৯টি আধাপাকা ব্যারাক নির্মাণ করেন। সেনাবাহিনীর পক্ষ থেকে কাজ সম্পন্ন করে ২০২০ সালের ৯ ফেব্রুয়ারী ঝালকাঠি উপজেলা পরিষদের কাছে ব্যারাকগুলি হস্তান্তর করা হয়। এই আশ্রায়ন প্রকল্পে ৪৫টি সুবিধাভোগী পরিবার বসবাস করার সুযোগ পাবে। কিন্তু ব্যারাক হস্তান্তরের ৭ মাসেও সেখানে সুবিধাভোগী নির্বাচন করা হয়নি।
ঝালকাঠি জেলার ৪টি উপজেলার মাধ্যে ৩টি উপজেলার আশ্রায়ন প্রকল্প নির্মাণ করা হয়েছে। ইতিপূর্বে ঝালকাঠি সদর উপজেলায় ৯টি আবাসন প্রকল্পে ১১১টি ব্যারাকে ৯৯০টি ভূমিহীন পরিবারকে আশ্রয় দেওয়া হয়েছে। নলছিটি উপজেলায় ৩টি প্রকল্পের ১৩টি ব্যারাকে ১২০টি পরিবার এবং রাজাপুর উপজেলায় ২টি প্রকল্পে ১০টি ব্যারাকে ৬৬টি পরিবারকে বন্দোবস্ত দেওয়া হয়েছে।

সংবাদটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আরো সংবাদ পড়ুন
সর্বস্বত্ত্ব © দৈনিক শতকন্ঠ - ২০২১ কর্তৃক সংরক্ষিত।
Theme Customized By BreakingNews