ঝালকাঠি সড়ক বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলীর বিধি বহির্ভূত কর্মকান্ড, প্রধান ও তত্তাবধায়ক প্রকৌশলীকে জেএসপি’র চিঠি

0
115
সড়ক বিভাগের প্রকৌশলীকে জেএসপির চিঠি
ঝালকাঠি সড়ক বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলীর বিধি বহির্ভূত কর্মকান্ড প্রধান ও তত্তাবধায়ক প্রকৌশলীকে জেএসপি’র চিঠি

স্টাফ রিপোর্টার
ঝালকাঠি সড়ক ও জনপথ বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলীর বিরুদ্ধে সরকারি নির্দেশনা উপেক্ষা, অনিয়ম, কার্যাদেশ ছাড়া ঠিকাদারকে কাজ ও বিল প্রদান, মালামাল সরবরাহ কাজে অসচ্ছতাসহ বিভিন্ন কর্মকান্ডের অভিযোগ তুলে ধরে ঝালকাঠি সংবাদপত্র পরিষদ (জেএসপি) সংশ্লিষ্ট বিভাগের প্রধান প্রকৌশলী, তত্তাবধায়ক প্রকৌশলীর কাছে চিঠি দিয়েছে। প্রধান প্রকৌশলী ও তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী বিষয়টির তদন্তপূর্বক ব্যবস্থা নিবেন বলে জানিয়েছেন। নির্বাহী প্রকৌশলী শামীমা ইয়াসমিনের স্বেচ্ছাচারিতার এসব অভিযোগ এর আগে জনস্বার্থে ঝালকাঠির জেলা প্রশাসককেও লিখিতভাবে জানিয়েছে ঝালকাঠি সংবাদপত্র পরিষদ।
ঝালকাঠি সংবাদপত্র পরিষদের উল্লেখিত চিঠিতে বলা হয়েছে, জরুরী রুটিন মেইনটেন্যান্স ব্যতীত ১৫ জুন থেকে ১৫ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত কোন বিটুমিনের কাজ না করতে সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রণালয়ের নির্দেশনা রয়েছে। নির্দেশনা উপেক্ষা করে নির্বাহী প্রকৌশলী বেগম শামিমা ইয়াসমিন ও ঠিকাদার মুহাম্মদ আমিনুল হক যোগসাজসে পিএমপি মাইনর খাতের দপদপিয়া- মোল্লারহাট-মহেশপুর রাস্তার ৯ম অংশ হতে ১০ম অংশ পর্যন্ত বেইস টাইপ-২ ও সিল কোটের কাজ ১৫ জুনের পরে সম্পন্ন করেছেন।
উপ-বিভাগীয় প্রকৌশলী গত ২৫ জুন’২০ তারিখ ৬৩৫ নং স্মারকে নির্বাহী প্রকৌশলীকে দেয়া পত্রে জানিয়েছেন, বিধি বর্হিভূতভাবে ঠিকাদার কাজটি কার্যাদেশ ছাড়াই এবং উপ-বিভাগীয় প্রকৌশলীকে না জানিয়ে করা হয়েছে। তাই এই কাজের বিল দাখিলের জন্য রেকর্ডে স্বাক্ষরসহ প্রস্তাব প্রেরণ করা সম্ভব নয়। কিন্তু নির্বাহী প্রকৌশলী উপ-বিভাগীয় প্রকৌশলীকে বাইপাস করে ঠিকাদারের উক্ত কাজের ৪৫ লক্ষ টাকার বিল পরিশোধ করেছেন। নির্বাহী প্রকৗশলী শামিমা ইয়াসমিন নিজেই সরকারি নির্দেশনা অমান্য এবং দাপ্তরিক বিধি ভঙ্গ করে এ কাজে সম্পূর্ণ অনিয়ম করেছেন। অসৎ উদ্দেশ্য হাসিল করার জন্য উপ-বিভাগীয় প্রকৌশলীকে আড়াল করে এ কাজ করেছেন বলে নির্বাহী প্রকৌশলীর বিরুদ্ধে অভিযোগ উঠেছে।
গত অর্থ বছরের রাজাপুরে স্টাক ইয়ার্ডে ঠিকাদার মো. এনায়েত হোসেনকে ৩০% লেস দিয়ে পি. জে ব্রিকস, স্টোন সিপস, সিলেট বালু এবং লোকাল বালু সাপ্লাইর কাজ দেয়া হয়েছে। ২০ লাখ ৫৩ হাজার টাকা ব্যয়ে এ কাজ দেয়া হয়। যার স্মারক নং-৪৯৩/১(৫) তারিখঃ ১৬/৪/২০। অপর এক কার্যাদেশে (স্মারক নং ৫৭১/১(৮) তারিখঃ ১২/৫/২০) ঝালকাঠির স্টাক ইয়ার্ডে একই ধরনের মালামাল মাত্র ১% লেস দিয়ে সম্পা কনস্ট্রাকশনকে কাজ দেয়া হয়। এ কাজে ২৯ লাখ ৭৬ হাজার টাকা ব্যয়ের কথা বলা হয়েছে। একই মালামাল দুই স্থানে সাপ্লাইয়ে ৯ লক্ষ টাকার পার্থক্য রয়েছে। তাই ঝালকাঠি সংবাদপত্র পরিষদ বিষয়গুলো দৃষ্টিতে নিয়ে তদন্তপূর্বক ব্যবস্থা গ্রহণের অনুরোধ জানিয়েছে। এ বিষয়ে সঠিক তদন্ত না হলে সেতু মন্ত্রীকেও অবগত করা হবে বলে সংবাদপত্র পরিষদের আহ্বায়ক জাহাঙ্গীর হোসেন মন্জু জানান।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here