1. admin@dainikshatakantha.com : dainikshatakantha :
বুধবার, ২১ জুলাই ২০২১, ১০:২২ অপরাহ্ন

ঝালকাঠি সড়ক ও জনপথ বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী শামীমা স্ট্যান্ড রিলিজ

  • প্রকাশিত : বৃহস্পতিবার, ১৫ অক্টোবর, ২০২০
  • ১৬৫ বার পড়া হয়েছে
ঝালকাঠি সড়ক ও জনপথ বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী স্ট্যান্ড রিলিজ
ঝালকাঠি সড়ক ও জনপথ বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী স্ট্যান্ড রিলিজ

স্টাফ রিপোর্টার
ঝালকাঠি সড়ক ও জনপথ বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী শামীমা ইয়াসমিনকে স্ট্যান্ড রিলিজ করা হয়েছে। ১১ আক্টোবর অপরাহ্নে (স্মারক নং ৯০০) এ আদেশ দেন প্রধান প্রকৌশলী কাজী শাহরিয়ার হোসেন। আদেশে ১৯ অক্টোবরের মধ্যে তাঁকে দায়িত্বভার হস্তান্তর করতে বলা হয়েছে। একই দিন প্রধান প্রকৌশলী অপর এক আদেশে (স্মারক নং ৯০১) সওজ, সেতু ডিজাইন উপ-বিভাগ-২, তেজগাঁও, ঢাকা এর উপ-বিভাগীয় প্রকৌশলী শেখ নাবিল হোসেন’কে ঝালকাঠির নির্বাহী প্রকৌশলী পদে পদায়ন করেছেন। শেখ নাবিল হোসেন এর আগে ঝালকাঠি সড়ক ও জনপথ বিভাগেরও উপ-বিভাগীয় প্রকৌশলী ছিলেন।
শামীমা ইয়াসমিন ২৫ নভেম্বর ২০১৯ তারিখ ঝালকাঠি সড়ক ও জনপথ বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী হিসেবে যোগদান করেন। মাত্র ১১ মাস কর্মকালে তাঁর অশোভন আচরণ অফিস স্টাফদের বিষিয়ে তোলে। যা চাপা ক্ষোভে পরিণত হয়। তাঁর অনিয়ম দুর্নীতির সংবাদ ঝালকাঠির দৈনিক সংবাদপত্রসহ জাতীয় সংবাদপত্রে প্রকাশিত হয়। তিনি সরকারি নির্দেশনা উপেক্ষা, কার্যাদেশ ছাড়া ঠিকাদারকে কাজ ও বিল প্রদান, মালামাল সরবরাহ কাজে অসচ্ছতাসহ নানা অনিয়ম কর্মকান্ড করে আসছিলেন। এ কারণে তাঁকে তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলীর অফিস থেকে সতর্কও করা হয়েছিল বলে জানা যায়। শামীমা ইয়াসমিনের স্বেচ্ছাচারিতা, অনিয়ম, দুর্নীতির কর্মকান্ডের সুনির্দিষ্ট তথ্য লিখিত আকারে ঝালকাঠি সংবাদপত্র পরিষদ (জেএসপি) জেলা প্রশাসকসহ সওজ’র প্রধান প্রকৌশলী, তত্তাবধায়ক প্রকৌশলীকে অবগত করে। প্রধান প্রকৌশলী ও তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী বিষয়টির যথাযথ ব্যবস্থা নিবেন বলে জেএসপি’র নেতৃবৃন্দকে আশ্বাস দিয়েছিলেন।
ঝালকাঠি সংবাদপত্র পরিষদের ঐ চিঠিতে উল্লেখ করা হয়েছিলো, জরুরী রুটিন মেইনটেন্যান্স ব্যতীত ১৫ জুন থেকে ১৫ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত কোন বিটুমিনের কাজ না করতে সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রণালয়ের নির্দেশনা সত্তে্বও তা উপেক্ষা করে নির্বাহী প্রকৌশলী শামিমা ইয়াসমিন ও ঠিকাদার মুহাম্মদ আমিনুল হক যোগসাজসে পিএমপি মাইনর খাতের দপদপিয়া-মোল্লারহাট-মহেশপুর রাস্তার ৯ম অংশ হতে ১০ম অংশ পর্যন্ত বেইস টাইপ-২ ও সিল কোটের কাজ ১৫ জুনের পরে সম্পন্ন করেন।
গত ২৫ জুন’২০ তারিখ উপ-বিভাগীয় প্রকৌশলীর ৬৩৫ নং স্মারকপত্রে নির্বাহী প্রকৌশলীকে জানান যে, বিধি বর্হিভূতভাবে ঠিকাদার কাজটি কার্যাদেশ ছাড়াই এবং উপ-বিভাগীয় প্রকৌশলীকে না জানিয়ে করা হয়েছে। তাই এই কাজের বিল দাখিলের জন্য রেকর্ডে স্বাক্ষরসহ প্রস্তাব প্রেরণ করা সম্ভব নয়। কিন্তু নির্বাহী প্রকৌশলী উপ-বিভাগীয় প্রকৌশলীকে বাইপাস করে ঠিকাদারের উক্ত কাজের ৪৫ লক্ষ টাকার বিল পরিশোধ করেন। নির্বাহী প্রকৗশলী শামিমা ইয়াসমিন নিজেই সরকারি নির্দেশনা অমান্য এবং দাপ্তরিক বিধি ভঙ্গ করে এ কাজে সম্পূর্ণ অনিয়ম করেছেন। অসৎ উদ্দেশ্য হাসিল করার জন্য উপ-বিভাগীয় প্রকৌশলীকে আড়াল করে এ কাজ করেছেন বলে নির্বাহী প্রকৌশলীর বিরুদ্ধে অভিযোগ উঠে।
পরিষদের চিঠিতে আরো উল্লেখ করা হয়েছিলো, গত অর্থ বছরের রাজাপুরে স্টাক ইয়ার্ডে ঠিকাদার মো. এনায়েত হোসেনকে ৩০% লেস দিয়ে ২০ লাখ ৫৩ হাজার টাকায় পি. জে ব্রিকস, স্টোন সিপস, সিলেট বালু এবং লোকাল বালু সাপ্লাইর কাজ দেয়া হয়। যার স্মারক নং-৪৯৩/১(৫) তারিখঃ ১৬/৪/২০। অপর এক কার্যাদেশে (স্মারক নং ৫৭১/১(৮) তারিখঃ ১২/৫/২০) ঝালকাঠির স্টাক ইয়ার্ডে একই ধরনের মালামাল মাত্র ১% লেস দিয়ে ২৯ লাখ ৭৬ হাজার টাকায় সম্পা কনস্ট্রাকশনকে কাজ দেয়া হয়। একই মালামাল দুই স্থানে সাপ্লাইয়ে ৯ লক্ষ টাকার পার্থক্য লক্ষ্য করা যায়। তাই ঝালকাঠি সংবাদপত্র পরিষদ বিষয়গুলো দৃষ্টিতে নিয়ে তদন্তপূর্বক ব্যবস্থা গ্রহণের অনুরোধ জানায়।

সংবাদটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আরো সংবাদ পড়ুন
সর্বস্বত্ত্ব © দৈনিক শতকন্ঠ - ২০২১ কর্তৃক সংরক্ষিত।
Theme Customized By BreakingNews