লকডাউন সফল করতে বিশেষজ্ঞদের পরামর্শ

0
215

স্টাফ রিপোর্টার
সম্প্রতি জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞদের পক্ষ থেকে এই কৌশলপত্র স্বাস্থ্য অধিদপ্তরে দেওয়া হয়েছে বলে জানাগেছে। অধিদপ্তরের মহাপরিচালক আবুল কালাম আজাদের কাছে এ কৌশলপত্র দেওয়া হয়। এতে ১২টি সুপারিশ করা হয়েছে।
লকডাউন সফল করতে সুপারিশগুলো হচ্ছে-
(১) স্থানীয় জনগোষ্ঠীর সম্পৃক্তকরণ, (২) ঝুঁকিবিষয়ক যোগাযোগ, (৩) রোগ শনাক্তকরণ পরীক্ষা, (৪) শনাক্ত ব্যক্তির আইসোলেশন, (৫) আক্রান্ত ব্যক্তির সংস্পর্শে আসা লোক খুঁজে বের করা, (৬) খাদ্য ও সামাজিক সহায়তা, (৭) ১০০ শতাংশ নাগরিকের মাস্ক ব্যবহার নিশ্চিত করা, (৮) সবাইকে হাত ধোয়ায় উদ্বুদ্ধ করা, (৯) সামাজিক দূরত্ব মেনে চলা, (১০) সঠিক চিকিৎসা ও মৃত্যু শূন্যে নামিয়ে আনা, (১১) সার্বক্ষণিক নজরদারি ও (১২) অন্যান্য স্বাস্থ্যবিধি অনুসরণ করা।
কৌশলপত্র প্রস্তুতকারী ৮ বিশেষজ্ঞরা হচ্ছেন- জনস্বাস্থ্যবিদ আবু জামিল ফয়সাল, স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের সাবেক দুই মহাপরিচালক এম এ ফয়েজ ও শাহ মুনির, আইসিডিডিআরবির জ্যেষ্ঠ গবেষক আনোয়ার ইকবাল, রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের সাবেক পরিচালক মওদুদ হোসেন, উগান্ডায় ইবোলা মহামারির সময় ইউনিসেফের সাবেক উপদেষ্টা তারিক হোসেন, সেন্টার ফর ইনজুরি প্রিভেনশন অ্যান্ড রিসার্চ বাংলাদেশের নির্বাহী পরিচালক ফজলুর রহমান এবং বাংলাদেশ ইউনিভার্সিটি অব হেলথ সায়েন্সেসের সাবেক উপাচার্য লিয়াকত আলী।
কৌশলপত্রের ১ নম্বর নীতিতে জনগোষ্ঠীর সম্পৃক্ততার কথা বলা আছে। এর মধ্যে আছে স্থানীয় মেয়র, স্থানীয় ওয়ার্ড কাউন্সিলর, ধর্মীয় নেতা, স্থানীয় এনজিও প্রতিনিধি, শিক্ষক, স্থানীয় ক্লাবের সদস্য, স্কাউট, গার্ল গাইডস, স্বাস্থ্য ও সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয়ের কর্মী, পুলিশ ও অন্যান্য আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্য।
বিশেষজ্ঞদের প্রস্তাব হচ্ছে, স্থানীয় জনগোষ্ঠী একটি দল বা গ্রুপ তৈরি করবে। গ্রুপের সদস্যরা স্বেচ্ছাসেবার ভিত্তিতে লকডাউনের সময় এলাকায় কাজ করবেন। এই কাজে নেতৃত্ব দেবেন স্থানীয় জনপ্রতিনিধি। তাঁকে সক্রিয়ভাবে সহায়তা করবে পুলিশ ও স্বাস্থ্য বিভাগ।
এ রকম ১২টি কাজের বিস্তারিত বর্ণনা দিয়েছেন বিশেষজ্ঞরা।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here