1. admin@dainikshatakantha.com : dainikshatakantha :
সোমবার, ১৭ মে ২০২১, ০২:৫০ পূর্বাহ্ন

রাজাপুরে পাবলিক টয়লেটের ভাগান্তি

  • প্রকাশিত : শনিবার, ২৫ জুলাই, ২০২০
  • ১৮৯ বার পড়া হয়েছে

স্টাফ রিপোর্টার
রাজাপুর উপজেলা সদরে প্রতিদিন কাজে বের হওয়া মানুষগুলো, বাইপাস মোড়, মেডিকেল মোড় ও বাঘড়ী বাজার এলাকায় দূরপাল্লার গণপরিবহনের কাউন্টার রয়েছে। প্রতিসপ্তাহের রোববার ও বৃহস্পতিবারে বাঘড়ির সাপ্তাহিক হাট বসে। এছাড়াও রাজাপুরে সকালের বাজার, বাইপাস মোড়ে সান্ধ্যকালীন বাজার রয়েছে। প্রতিদিন হাজার হাজার লোকের সমাগম হয় এসব স্থানে। কিন্তু জনসাধারনের প্রাকৃতিক ডাকে সাড়া দেবার জন্য নেই কোন শৌচাগার (টয়লেট)। যাত্রীরা বিশেষ করে নারীরা পাবলিক টয়লেটের অভাবে ভুগছে প্রতিনিয়ত। ভোগান্তির শিকার মানুষগুলোর এই দাবিটুকু পুরণে আজ পর্যন্ত কেউ এগিয়ে না আসার কারণ আজও উপজেলাবাসীর অজানা।
সপ্তাহের দুটি বড় হাট এবং প্রতিদিনের দুইটি বাজারে সদরের বাইরের কয়েক হাজার মানুষ আসে কেনাকাটা করার উদ্দেশ্যে। এছড়াও উপজেলা পরিষদসহ সরকারি বেসরকারি সকল অফিস রয়েছে উপজেলা সদরে। যার বিভিন্ন দফতরে কাজের জন্যও আসে হাজার হাজার মানুষ। চট্টগ্রাম ও ঢাকা গামী গণপরিবহনের কাউন্টারগুলো বাইপাস মোড়, মেডিকেল মোড় ও বাঘড়ী বাজারে থাকায় পরিবহনের অপেক্ষায় থাকা যাত্রীদের টয়লেটের ভোগান্তি থেকেই যাচ্ছে। একটু খেয়াল করলেই দেখা যায় আগত মানুষের অধিকাংশই মহিলা। এসব মানুষের মধ্যে অনেকেই পাবলিক টয়লেটের জন্য ভোগান্তির শিকার হয়ে থাকে। খোঁজ নিয়ে দেখা যায়, উপজেলা সদরের মসজিদের টয়লেটগুলোর অনেকটাই থাকে তালাবদ্ধ। যার কারণে বয়োবৃদ্ধদের নিজেকে সামাল না দিতে পেরে মাঝে মাঝে কাপড় নষ্ট হয়ে যায় অনেকের।
সদরের স্থানীয় ও বাসাবাড়ি করে থাকা পরিবারগুলোর মধ্যে অনেকেই অভিযোগ করে বলেন, প্রতিনিয়ত অপরিচিত বিভিন্ন বয়সের মহিলা বাড়ির ভিতরে ঢুকে অনুরোধ করে প্রাকৃতিক কাজ সারার জন্য। তারা মহিলা বলে তাদের কিছুই বলার থাকেনা। কিন্তু আমরাও সবসময় ভয়ে থাকি। কারণ, এই অজুহাতে আবার চোর চক্র ভিতরে ঢুকে সর্বস্ব নিয়ে চলে না যায়।
স্থানীয়রা জানান, উপজেলার কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ স্থান রয়েছে যেখানে পাবলিক টয়লেট খুবই জরুরি। তার মধ্যে উপজেলার বাইপাস মোড়, মেডিকেল মোড়, স্কুল মার্কেট, বাজার, বাঘড়ির হাট ও ডাকবাংলো মোড় উল্লেখযোগ্য। এইসকল স্থানে লোক সমাগম অনেক বেশি থাকে। আর প্রাকৃতিক ডাকে সাড়া দেয়ার জন্য বেছে নেয় রাস্তার পাশে একটু লোকচক্ষুর আড়ালের জায়গা। যার ফলে পরিবেশ দুষিত হয়ে গন্ধে জনজীবন অতিষ্ঠ হয়ে পরে। এলাকাবাসীর চলাচলে পোহাতে হয় চরম দুর্ভোগ।
উপজেলার সচেতন মহল বিষয়টি বিভিন্ন সময় উপজেলা উন্নয়ন কমিটির সভায় আলোচনায় নিয়ে আসলেও এর সমাধানে সংশ্লিষ্ট কেউ এগিয়ে না আসায় সবার মুখেই এখন একটি প্রশ্ন উপজেলার এই গুরুত্বপূর্ণ সমস্যার সমাধান করবে কে?
এ ব্যাপারে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. সোহাগ হাওলাদার বলেন, সুবিধামতো জায়গা না পাওয়ায় পাবলিক টয়লেটে নির্মাণ করা যাচ্ছে না। জায়গা পেলে অবশ্যই পাবলিক টয়লেট নির্মাণ করা হবে।

সংবাদটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আরো সংবাদ পড়ুন
সর্বস্বত্ত্ব © দৈনিক শতকন্ঠ - ২০২১ কর্তৃক সংরক্ষিত।
Theme Customized By BreakingNews