1. admin@dainikshatakantha.com : dainikshatakantha :
রবিবার, ১৬ মে ২০২১, ০৩:৫৪ অপরাহ্ন

শালিশের রোয়েদাদনামা না মানার অভিযোগে, কাঁঠালিয়া পৃথক সংবাদ সম্মেলন

  • প্রকাশিত : রবিবার, ১৯ জুলাই, ২০২০
  • ২১৭ বার পড়া হয়েছে
ঝালকাঠি: কাঁঠালিয়ায় সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন মো. সাহাদাৎ হোসেন।

ফারুক হোসেন খান
ঝালকাঠির কাঁঠালিয়ায় জীবনের নিরাপত্তা ও শালিসির রোয়েদাদনামা না মানার বিষয়ে দুটি সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়েছে। শনিবার (১৮ জুলাই) বেলা ১২টায় স্থানীয় প্রেস ক্লাবে জীবনের নিরাপত্তা চেয়ে ও জমিজমার সঠিক বুঝ পাবার জন্য উপজেলার লেবুবুনিয়া গ্রামের মৃত এছাহাক আলী হাওলাদারের ছেলে মো.সাহাদাৎ হোসেন হাওলাদার ও উপজেলার মৃত আবদুল গনি সিকদারের ছেলে মো.শাহজাহান সিকদার সকাল ১১টায় শালিসির রোয়েদাদ নামা অমান্য করার অভিযোগ এনে প্রেস ক্লাবে পৃথক দু’টি সংবাদ সম্মেলন করে। সংবাদ সম্মেলনে দুই জনই তাদের লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন।
লেবুবুনিয়া গ্রামের মো.সাহাদাৎ হোসেন হাওলাদার তার লিখিত বক্তব্যে জানান, তার আপন তিন ভাই আলমগীর হোসেন, ফারুক হোসেন ও ভাই ফারুক হোসেনের ছেলে শান্ত এবং একই এলাকার আনসার আলীর ছেলে জাহাঙ্গীর হোসেন গংরা এলাকায় বিভিন্ন অপরাধের সাথে জড়িত। ১৯৯৭ সনে মশাবুনিয়া গ্রামের শাহজাহানের স্ত্রীকে ধর্ষণ, ২০০৩ সনে যশোরে ডাকাতি, ২০০২ সনে বাঁশবুনিয়া গ্রামের মধু হাওলাদারের গরু চুরি, ১৯৯৩ সনে ১৫/২০টি কুটার কুড় পোড়ানো, বাঁশবুনিয়া গ্রামের কৌশিক সেনের নিকট থেকে পিলার ব্যবসা করার কথা বলে টাকা নেওয়াসহ বিভিন্ন অপকর্মের অভিযোগ রয়েছে তাদের বিরুদ্ধে। তিনি আরো জানান, ২০১১ সনে পিতা রেখে যাওয়া জমিজমা শালিসির রোয়েদাদ অনুযায়ী ভোগ দখল করার কথা থাকলেও আলমগীর হোসেন গংরা শালিসির রোয়েদাদ অমান্য করে অনেকটা পেশি শক্তির জোরে আমার ক্রয়কৃত জমিতে জোর পুর্বক দখলের চেষ্টা করছে। পরবর্তীতে ২০১৯ সনে পুনরায় সর্বসম্মতিক্রমে স্থানীয়ভাবে শালিস ব্যবস্থা হয়। সেখানে শালিসগণ রোয়েদাদনামা প্রদান করেন। এবারও আলমগীর হোসেন গংরা তা অমান্য করে আমার কবলা ও পৈত্রিক প্রাপ্ত জমিতে অনাধিকার প্রবেশ করে মাটি কাটার চেষ্টা করে। আলমগীর ও জাহাঙ্গীর গংদের ভয়ে ২০১৬ সন থেকে কাঁঠালিয়া সদরে ভাড়া বাসায় বসবাস করে আসছি। জীবনের নিরাপত্তা চেয়ে এ বছরের মার্চ মাসে থানায় একটি সাধারন ডায়েরী করেছি।
অপর সংবাদ সম্মেলনে মো.শাহজাহান সিকদার সংবাদ সম্মেলনে তার লিখিত বক্তব্যে জানান, গত বছরের ১৮ জুলাই জমিজমার বিরোধ নিস্পত্তিকল্পে আঃ হামিদ হাওলাদার গংদের বিরুদ্ধে উপজেলা চেয়ারম্যান মো.এমাদুল হক মনিরের নিকট একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করি। উপজেলা চেয়ারম্যান বিষয়টি স্থানীয়ভাবে মিমাংশার জন্য উপজেলার মরিচবুনিয়া হাই স্কুলের প্রধান শিক্ষক আলমগীর হোসেনকে দায়িত্ব দেন। তিনি উভয় পক্ষকে হাজির করে একাধিকবার শালিস বৈঠক করে রোয়েদাদ নামা প্রদান করেন। আঃ হামিদ গংরা এ রোয়েদাদ প্রত্যখান করে। তারা শালিসগণের নিকট আপিল না করে, শালিস ও রোয়েদাদের বিষয়টি গোপন রেখে উপজেলা চেয়ারম্যানের নিকট একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন। উপজেলা চেয়ারম্যান আঃ হামিদের দায়েরকৃত অভিযোগ স্থানীয় আঃ খালেক জমাদ্দারকে দায়িত্ব দেন। খবর পেয়ে শাহজাহান গংরা উপজেলা চেয়ারম্যানকে এ বিষয়ে শালিস ব্যবস্থা ও রোয়েদাদ হয়েছে মর্মে জানান। উপজেলা চেয়ারম্যান তাৎক্ষণিক আঃ খালেক জমাদ্দারকে মুঠো ফোনে জানান, বিষয়টি প্রধান শিক্ষক আলমগীর হোসেন দেখবেন। আঃ হামিদ হাওলাদার জাল দলিল সৃষ্টি করে জমি দখলের চেষ্টা করছেন বলেও তিনি লিখিত অভিযোগে জানান।

সংবাদটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আরো সংবাদ পড়ুন
সর্বস্বত্ত্ব © দৈনিক শতকন্ঠ - ২০২১ কর্তৃক সংরক্ষিত।
Theme Customized By BreakingNews