1. admin@dainikshatakantha.com : dainikshatakantha :
শুক্রবার, ৩০ জুলাই ২০২১, ০৬:৪৫ পূর্বাহ্ন

সৈয়দ এনামুল হক ঝালকাঠির একজন সফল উদ্যোক্তা

  • প্রকাশিত : বুধবার, ২৮ অক্টোবর, ২০২০
  • ১১০ বার পড়া হয়েছে
ঝালকাঠি: সৈয়দ এনামুল হকের এ্যাগ্রো র্ফাম পরিদর্শনে জেলা প্রশাসক মো. জোহর আলী।
ঝালকাঠি: সৈয়দ এনামুল হকের এ্যাগ্রো র্ফাম পরিদর্শনে জেলা প্রশাসক মো. জোহর আলী।

মানিক রায়
ঝালকাঠির রাজাপুর উপজেলার উত্তর পিংরি গ্রামের সৈয়দ এনামুল হক নিজের শ্রম ও মেধা দিয়ে একজন সফল উদ্যোক্তা হয়েছেন। ৫ বছর পূর্বে ২০ হাজার টাকার পুঁজি নিয়ে মুরগির খামার শুরু করেন। এখন তাঁর পুঁজি ৩ কোটি টাকা। পৈত্রিক ১৫ বিঘা জমির উপর গড়ে তুলেছেন সৈয়দ বহুমূখী এগ্রো ফার্ম। এখানে কর্ম সংস্থান হয়েছে ১০টি পরিবারের। সৈয়দ এনামুল হকের এগ্রো ফার্মে কৃষি, মৎস্য ও প্রাণী সম্পদ কম্পোনেন্ট নিয়ে বহুমাত্রিক ফার্ম গড়েছেন। ঝালকাঠির যুব উন্নয়ন অধিদপ্তর সৈয়দ এনামুল হককে গবাদী পশু, হাঁস-মুরগী পালন, মৎস্য চাষ ও কৃষি বিষয়ক প্রশিক্ষণ দিয়েছেন। সৈয়দ এনামুল হক যুব উন্নয়ন অধিদপ্তরের এখন একজন সফল উদ্যোক্তা। জেলা প্রশাসকসহ কৃষি ব্যাংকের চেয়ারম্যান তাঁর প্রকল্প পরিদর্শন করেছেন। বিভিন্ন উদ্যোক্তরা তাঁর প্রকল্প দেখতে এবং অভিজ্ঞতা বিনিময় করতে আসেন।
এই গ্রামের সৈয়দ আবু বকর সিদ্দিকের পুত্র সৈয়দ এনামুল হক উচ্চ মাধ্যমিক পাশ করে বেকার জীবন যাপন করছিলেন। ৫ বছর পূর্বে এনামুল হক ট্রলারে করে জীবনের ঝুঁকি নিয়ে প্রবাসে যাওয়ার দালাল খুঁজতে ঢাকায় যান। তখন হোটেলে বসে তার ধারণা হয় বিদেশে যেতে পারলেও এই শিক্ষাগত যোগ্যতা নিয়ে পরিশ্রমের কাজ করতে হবে। এই পরিশ্রম দিয়েই নিজের পৈত্রিক জায়গায় কিছু করার চিন্তা করেন। সে চিন্তা থেকে যুব উন্নয়ন অধিদপ্তরে প্রথমে হাঁস মুরগী পালনের উপর প্রশিক্ষণ নেন। বড় ভাই সৈয়দ আজিজুল হকের কাছ থেকে ২০ হাজার টাকা নিয়ে ছোট আকারের একটি মুরগীর ফার্ম শুরু করেন। আজ তাঁর ১৫ বিঘা জমির উপরে ছোট বড় ৪ টি পুকুরে মিশ্র জাতের মাছের চাষ এবং একটি পুকুরে দেশি জাতের শিং, মাগুর মাছের চাষ রয়েছে। এর পাশাপাশি বয়লার ও দেশি জাতের মুরগীর পৃথক খামার রয়েছে। একই ফার্মে রয়েছে দেশি জাতের গরুর খামার। নতুন করে সংকর জাতের গাভী লালন পালনের জন্য বড় আকারের শেড নির্মাণ করা হচ্ছে। এছাড়া পুকুর সংলগ্ন পারে বিভিন্ন ধরনের শাকসবজি ও বসত বাড়িতে আ¤্রপলিসহ উচ্চ ফলনশীল জাতের ফলের গাছ রয়েছে। মুরগীর ফার্মের সাথেই ৩ শতাধিক কবুতরসহ টারকী (কেদারনাথ, সিলকি) জাতের মুরগী রয়েছে।
ফার্ম দেখতে এসে ঝালকাঠির জেলা প্রশাসক মো. জোহর আলী সন্তোষ প্রকাশ করেন। এই ধরনের ফার্ম করে যুবকরা সাবলম্বি হওয়ার পাশাপাশি অর্থনৈতিকভাবে দেশের সমৃদ্ধিতে ভূমিকা রাখতে পারে বলে তিনি মন্তব্য করেন।

সংবাদটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আরো সংবাদ পড়ুন
সর্বস্বত্ত্ব © দৈনিক শতকন্ঠ - ২০২১ কর্তৃক সংরক্ষিত।
Theme Customized By BreakingNews