1. admin@dainikshatakantha.com : dainikshatakantha :
সোমবার, ১০ মে ২০২১, ১২:৫৫ পূর্বাহ্ন
সর্বশেষ আপডেট:
চীনা রকেটের ধ্বংসাবশেষ ভারত মহাসাগরে পড়েছে টানা নবম খেতাব জার্মান লিগ চ্যাম্পিয়ন বায়ার্ন মিউনিখ দেড়শতাধিক বছর পূর্বে প্রতিষ্ঠিত, রাজাপুরের কারামাতিয়া মসজিদে জুমায় মুসল্লিদের সংকুলান হয় না শেখেরহাটের গুরুত্বপূর্ণ সড়কের বেহালদশা রাজাপুরে আদালতের নির্দেশে ১৮ মাস পর হত্যার মামলা রেকর্ড কাঁঠালিয়ায় মাহিন্দ্রার ধাক্কায় কিশোরের মৃত্যু কাঁঠালিয়া ও রাজাপুরে দুই হাজার পরিবারকে খাদ্যসামগ্রী দিলেন কেন্দ্রীয় আ. লীগ নেতা মনির ঝালকাঠিতে সুবিধা বঞ্চিত রোজাদারদের মাঝে দুরন্ত ফাউন্ডেশন’র ভিন্নধর্মী ইফতার ঝালকাঠিতে ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযান সমালোচনার মুখে সিদ্ধান্ত পরিবর্তন, ভারত থেকে নাগরিকদের ফেরাতে নিষেধাজ্ঞা তুলে নিচ্ছে অস্ট্রেলিয়া
শিরোনাম:
চীনা রকেটের ধ্বংসাবশেষ ভারত মহাসাগরে পড়েছে টানা নবম খেতাব জার্মান লিগ চ্যাম্পিয়ন বায়ার্ন মিউনিখ দেড়শতাধিক বছর পূর্বে প্রতিষ্ঠিত, রাজাপুরের কারামাতিয়া মসজিদে জুমায় মুসল্লিদের সংকুলান হয় না শেখেরহাটের গুরুত্বপূর্ণ সড়কের বেহালদশা রাজাপুরে আদালতের নির্দেশে ১৮ মাস পর হত্যার মামলা রেকর্ড কাঁঠালিয়ায় মাহিন্দ্রার ধাক্কায় কিশোরের মৃত্যু কাঁঠালিয়া ও রাজাপুরে দুই হাজার পরিবারকে খাদ্যসামগ্রী দিলেন কেন্দ্রীয় আ. লীগ নেতা মনির ঝালকাঠিতে সুবিধা বঞ্চিত রোজাদারদের মাঝে দুরন্ত ফাউন্ডেশন’র ভিন্নধর্মী ইফতার ঝালকাঠিতে ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযান সমালোচনার মুখে সিদ্ধান্ত পরিবর্তন, ভারত থেকে নাগরিকদের ফেরাতে নিষেধাজ্ঞা তুলে নিচ্ছে অস্ট্রেলিয়া

স্বাস্থ্য বিধি মানছে না কেউ, ঝালকাঠির কুরবানির হাটে গরুর হাটে ক্রেতা কম, দুশ্চিন্তায় ইজারাদার

  • প্রকাশিত : সোমবার, ২৭ জুলাই, ২০২০
  • ১৯৫ বার পড়া হয়েছে
ঝালকাঠির নলছিটি উপজেলার শিমুলতলা পশু হাটে গরু আছে, ক্রেতা নেই।

স্টাফ রিপোর্টার
ঝালকাঠি জেলার বিভিন্নস্থানে নিয়মিত সাপ্তাহিক হাটের পাশাপাশি মৌসুমী কুরবানির পশুর হাট বসতে শুরু করেছে। তবে প্রতি বছরের চেয়ে এবছরের চিত্র ভিন্ন। লোকালয়ে বা মহাসড়কের পাশে কোন মৌসুমী হাটের অনুমোদন দেয়নি জেলা প্রশাসন। করোনা সংক্রমণ এড়াতে শহরের গুরুদাম কৃষ্ণকাঠি এলাকার মৌসুমী হাটকে শহরতলীর বিকনা এলাকায় শহীদ ক্যাপ্টেন বীরশ্রেষ্ঠ মহিউদ্দিন জাহাঙ্গীর স্টেডিয়ামে জেলা প্রশাসক মো. জোহর আলী অনুমোদন দেন। এমনিভাবেই যাচাই-বাছাই করে নির্জন ও খোলা মাঠে অনুমোদন দেয়া হয়।
ঝালকাঠির বিকনা এলাকায় শহীদ ক্যাপ্টেন বীরশ্রেষ্ঠ মহিউদ্দিন জাহাঙ্গীর স্টেডিয়ামে রোববার বিকেল থেকে দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে কোরবানির পশু আসতে শুরু করে। বিভিন্ন আকার ও সাইজের গরু এবং ছাগলের হাট শুরু হলেও সবাই আসেন হাট দেখতে। কিন্তু ক্রেতা নেই এ হাটে।
অপরদিকে রাজাপুর উপজেলায় প্রতি রোববার ও বৃহস্পতিবার বসে বাগড়ি হাট। এরই একটা অংশে পূর্বাহ্নে ছাগলের হাট এবং অপরাহ্নে গরুর হাট বসে। দেশের বিভিন্ন জেলা থেকে সড়ক পথে ট্রাক ও নৌ পথে ট্রলারে করে গরু আনেন বেপারীরা। হাটে পর্যাপ্ত পশু থাকলেও এখনো কেনাবেচা তেমন শুরু হয়নি। ক্রেতা থাকলেও গরু দেখে, দাম-দর করে ঘুরেফিরে চলে যাচ্ছেন। দেশী গরুর পাশাপাশি ভারতীয় গরু বিভিন্নভাবে হাটে এসেছে বলে জানিয়েছেন বেপারীরা। হাটের ইজারাদার ও স্থানীয় জনপ্রতিনিধিরা বলছেন, হাট বসার বিষয়ে মাইকিং ও লিফলেট বিতরণ করা হয়েছে। তারপরও হাটে ক্রেতা কম। করোনার কারণে স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলার আহŸান জানানো হচ্ছে মাইকে। কিন্তু হাটের প্রধান গেটে স্বাস্থ্যবিধি কিছুটা মানলেও হাটের ভিতরে স্বাস্থ্যবিধি কেউই মানছেন না। মাস্ক থাকলেও মুখে নেই থুতনিতে জুলছে। করোনার কারণে কোরবানি দেয়ার ব্যাপারেও বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ এক রকম সিদ্ধান্তহীতায় ভুগছেন। এ কারণেই হাটে পর্যাপ্ত পশু উঠলেও ক্রেতাদের তেমন একটা দেখা নেই।
হাটে আসা বিক্রেতা জমির আলী বলেন, ‘লোকজন আসেন, গরু দেখেন। কিন্তু ন্যায্য মূল্য কেউ বলছেন না। গরু বিক্রি করতে না পেরে খুব হতাশ হয়ে পড়ছি। এই হাটে এখন পর্যন্ত ৫০ হাজার টাকা থেকে শুরু করে দুই লাখ টাকারও বেশি দামের গরু উঠেছে।’
স্থানীয় গরুর বেপারী দেলোয়ার জানান, ঝালকাঠিতে অনেক খামারী আছেন যারা কোরবানিতে বিক্রির জন্য গরু লালন-পালন করছেন। কিন্তু বাজারের যে অবস্থা তাতে খামারীরা লোকসানে পড়ার আশঙ্কা রয়েছে।
বাগড়ির সাপ্তাহিক স্থায়ী পশুর হাটে নিয়মিত গরু বিক্রেতা মোহাম্মদ লিটন হোসেন বলেন, হাটে নিয়মিত গরু, ছাগল বিক্রি করে থাকি। করোনার কারণে গত কয়েক মাস ধরে ক্রেতা খুব কম। আমরা কোরবানির আগে গরু আনার জন্য প্রস্তুতি নিয়ে থাকি। কিন্তু এবার হাটে কেনাবেচা নিয়ে আমরা খুবই দুশ্চিন্তায় আছি। ‘করোনার কারণে ক্রেতা যেমন কম, ঠিক তেমনি পশুর দামও অনেক কম।
বাগড়ি হাটের ইজারাদার মো. ফজলুর রহমান সিকদার জানান, হাটে এবার দেশি গরুর প্রাধান্যই বেশি। অল্প কিছু ভারতীয় গরু বিভিন্নভাবে এসেছে। কিন্তু বেচাকেনা খুবই খারাপ। মৌসুমের শেষ পর্যায়ে এসেও গরুর হাট জমে উঠেনি। এই অবস্থায় যারা দেশীয় পদ্ধতিতে খামারে গরু মোটাতাজা করেছেন তারা সবচেয়ে বেশি বিপাকে পড়েছেন। ঈদের মধ্যে গরুগুলো বিক্রি করতে না পারলে অনেকেই ক্ষতির মুখে পড়বেন। তবে শেষ মুহূর্তে কোরবানির পশু কেনাবেচা জমে উঠবে বলেও প্রত্যাশা করেন এই ইজারাদার।
তিনি আরো জানান, করোনাভাইরাসের কারণে এবার পশুর হাটে ব্যাপক প্রভাব পড়েছে। ক্রেতা না থাকায় গরু বিক্রির ইজারামূল্য আদায় করা সম্ভব হচ্ছে না। এবছরের ইজারা মূল্য পরিশোধ নিয়ে দুশ্চিন্তা করতে হচ্ছে। তবে ইজারাদারের পক্ষ থেকে হাট বসানোর জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের দেয়া সকল নির্দেশনা মেনেই পরিচালনা করা হচ্ছে।
ঝালকাঠি জেলা প্রশাসক কার্যালয়ের নেজারত ডেপুটি কালেক্টর (এনডিসি) আহমেদ হাসান জানান, সরকারী নির্দেশনা অনুযায়ী লোকালয়ে, আবাসিক এলাকায় এবং মহাসড়কের পাশে মৌসুমী কোরবানি পশুর হাট বসানোর অনুমোদন দেয়া হয়নি। যাচাই-বাছাই করে নির্জন ও খোলা মাঠে অনুমোদন দেয়া হয়েছে। সেই সাথে স্বাস্থ্য বিধি মেনে চলার বিষয়েও নির্দেশনা দেয়া হয়েছে ইজারাদারকে। নিয়মের ব্যত্যয় ঘটলে আইনানুগ ব্যবস্থা নেয়া হবে বলেও জানান এ কর্মকর্তা।

সংবাদটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আরো সংবাদ পড়ুন
সর্বস্বত্ত্ব © দৈনিক শতকন্ঠ - ২০২১ কর্তৃক সংরক্ষিত।
Theme Customized By BreakingNews