1. admin@dainikshatakantha.com : dainikshatakantha :
মঙ্গলবার, ১৮ মে ২০২১, ১১:০১ অপরাহ্ন

৩ শতাধিক বছরের পুরানো রাজাপুরের ঐতিহ্যবাহী গালুয়া পাকা মসজিদ

  • প্রকাশিত : রবিবার, ৯ আগস্ট, ২০২০
  • ১৭৫ বার পড়া হয়েছে
রাজাপুর উপজেলার গালুয়া গ্রামের ৩শত বছরের পুরানো ঐতিহ্যবাহী পাকা মসজিদ।

মো. আতিকুর রহমান
৩ শত বছর পূর্বে স্থাপিত গালুয়া পাকা মসজিদ বরিশাল বিভাগের ঝালকাঠি জেলার রাজাপুর উপজেলায় অবস্থিত। এই মসজিদটি রাজাপুর-ভান্ডারিয়া মহাসড়কের গালুয়া বাজার এলাকা থেকে এক কিলোমিটার পূর্বে দুর্গাপুর গ্রামে অবস্থিত।
মসজিদের ইতিহাস সম্পর্কে স্থানীয় প্রবীণ ব্যক্তিদের কাছ থেকে জানাগেছে, মাহমুদ খান আকন (মামুজি) নামক এক ধর্মপ্রাণ ব্যক্তি এই মসজিদ নির্মাণ করেন। ধারণা করা হয় বাংলা ১১২২ সালে এটি বানানো হয়েছিল। মসজিদের কাছে একটি শিলালিপি পাওয়া যায় এবং তা থেকে এর নির্মাণকাল সম্পর্কে ধারণা করা হয়। এলাকার লোকমুখে একটি কথা প্রচলিত রয়েছে, যখন এই মসজিদের সংস্কার কাজে হাত দেওয়ার জন্য ঝোপ-ঝাড় পরিষ্কার করা হচ্ছিলো তখন বড় বড় বিষধর সাপ এর থেকে বেড়িয়ে এসেছিল। পরে গালুয়ার মরহুম পীরসাহেব মাহতাব উদ্দিন (রহ) কথামত একটি অংশ খুলে দেওয়া হলে সাপগুলো ওই স্থান ত্যাগ করে।
রাজাপুরের প্রত্নতাত্বিক গবেষক ও রাজাপুর সরকারী কলেজের ইসলামিক স্টাডিজ বিভাগের অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষক আজিজুল হক জানান, এই মসজিদটি গালুয়া বাজার থেকে এক কিলোমিটার পূর্ব দিকে বড়বাড়ি সংলগ্ন অবস্থিত। মসজিদটি প্রায় ৩ শত বছর আগের নির্মিত। মাহমুদজান আকন্দ নামে একজন স্থানীয় প্রভাবশালী ধর্মপ্রাণ মুসলমান বাংলা ১১২২ সালে এটি নির্মাণ করেন। একটি পরিত্যাক্ত শিলাখন্ডে এর তৈরি সাল পাওয়া যায়। এর বাজু বেশ প্রশস্ত। এ মসজিদটি টালি ইটের তৈরি। বর্তমানে মসজিদটি সংস্করণ করা হয়েছে বলে এর ইটগুলো বর্তমানে দেখা যায় না।
তিনি আরো জানান, স্বাধীনতার প্রাক্কালে মসজিদটি ভেঙ্গে পড়ার উপক্রম হলে স্থানীয় একজন সমাজ হিতৈষীর প্রচেষ্টায় এ মসজিদটি সংস্কার করা হয়। মসজিদটির সামনে বারান্দার অংশ বর্ধিত করা হয়েছে। ১৯৯৯ সালে বাংলাদেশ সরকার এ মসজিদটি প্রত্নতত্ত বিভাগের আওতায় নিয়ে আসে। সে কারণে সরকার থেকে অর্থ বরাদ্দ হয়ে মসজিদটির সংস্কার কাজ করা হয়। ঐতিহ্যবাহী পাকা মসজিদটিতে এখনও মুসল্লিরা নামাজ আদায় করছেন।

সংবাদটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আরো সংবাদ পড়ুন
সর্বস্বত্ত্ব © দৈনিক শতকন্ঠ - ২০২১ কর্তৃক সংরক্ষিত।
Theme Customized By BreakingNews